
নিউ ইয়র্ক মেয়র নির্বাচন
নিউইয়র্ক সিটি মেয়র, সিটি কাউন্সিলম্যান, পাবলিক এডভোকেট, সিভিল কোর্টের বিচারক, কম্পট্রোলারসহ বিভিন্ন পদে নির্বাচনে ইতোমধ্যেই আগাম ভোট হয়েছে। এর আগে হয়েছে অ্যাবসেন্টি ভোট। যারা করোনা ও ব্যস্ততার কারণে ভোট কেন্দ্রে যেতে চান না, তারা অ্যাবসেন্টি ব্যালটে ভোট দিয়েছেন। গত ১২ জুন থেকে শুরু হয়েছে আগাম ভোট। চলেছে ২১ জুন পর্যন্ত। প্রাইমারি ইন পারসন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২২ জুন। এদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয়।
বিভিন্ন দেশের ভাষাভাষী আমেরিকানরা যাতে ভোট দিতে গিয়ে তার নিজ নিজ ভাষায় কথা বলতে পারেন, সেজন্য বোর্ড অব ইলেকশনের পক্ষ থেকে ইন্টারপ্রেটারের ব্যবস্থা করা হয়।
মেয়র প্রার্থীরা তাদের প্রচারণায় নগদ প্রণোদনা, হেট ক্রাইম বন্ধকরণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, সাবওয়ে পরিস্থিতির উন্নতি, অপরাধ হ্রাস করার মতো জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। এছাড়াও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারেন, সে ব্যাপারেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিচ্ছেন। স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য আবাসন ব্যবস্থার বিষয়টিও সবার সামনে কুলে ধরছেন অনেক প্রার্থী।
করোনা-পরবর্তী নিউ ইয়র্ককে নতুন করে অর্থনৈতিকভাবে প্রাণসঞ্চার, সুপ্রতিষ্ঠিত ও সিটির বাসিন্দাদের নানা সমস্যার সমাধান, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিকভাবে সুদৃঢ় করার দায়িত্ব ‘নগর পিতা’ হিসেবে কে পেতে যাচ্ছেন, তাই এখন দেখার পালা।
২২ জুন নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচনের প্রাইমারি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের নির্বাচনের জন্য প্রাইমারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রাইমারি এই নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে তেমন প্রচারণা দেখা যায় নি। বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন কমিউনিটিতে উৎসাহ-উদ্দীপনা কেবলমাত্র ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের নিয়েই দেখা গেছে। দুই দলের প্রার্থী হিসেবে শেষ পর্যন্ত কে প্রাইমারিতে জয়ী হবেন, এটা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে জল্পনা-কল্পনা চললেও অনেকেই ধারণা করছেন, যিনি ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রাইমারিতে জয়ী হবেন, তিনিই হবেন ব্লু স্টেট নিউ ইয়র্কের পরবর্তী মেয়র।
সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী এরিক অ্যাডামস, ক্যাথরিন গার্সিয়া ও অ্যান্ড্রু ইয়াং এগিয়ে ছিলেন। এছাড়া মায়া ওয়াইলি এবং স্ট্রক স্ট্রিঙ্গারও রয়েছেন আলোচনায়। গত সপ্তাহে ওই পাঁচ প্রার্থী সর্বশেষ মেয়রাল বিতর্কে অংশ নেন। বিতর্কে তারা নিজ নিজ অবস্থান তুলে ধরেন এবং নির্বাচিত হলে কী করবেন, সেই অ্যাজেন্ডাও তুলে ধরেন। তবে সবাই হেইট ক্রাইম বন্ধ করাসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির ওপর জোর দিয়েছেন। একাধিক প্রার্থীর মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে মতবিরোধও দেখা গেছে।



