
থাইল্যান্ডে নির্বাচনে বিরোধীদের জয়জয়কার, বর্তমান শাসকদলের মাত্র ২৩ আসন
৪০০ আসনের মধ্যে মাত্র ২৩ আসন পেয়ে থাইল্যান্ডের নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে বর্তমান শাসকদল ইউনাইটেড থাই ন্যাশনাল পার্টির। অপরদিকে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে থাকা দুই বিরোধী দল নির্বাচনে দারুণ ফলাফল দেখিয়েছে। এরমধ্যে এমএফপি পেয়েছে ১১৩ আসন এবং ফেউ থাই পার্টি পেয়েছে ১১২ আসন। অর্থাৎ সেনা সমর্থিত বর্তমান প্রশাসনের বিরুদ্ধেই ভোট দিয়েছেন দেশটির নাগরিকরা।
ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, এখন দুই বিরোধী দল মিলে সরকার গঠন করতে পারে। ফেউ থাই পার্টির নেতা পায়তোংতার্ন শিনাওয়াত্রা, তিনি সাবেক শাসক থাকসিন শিনাওয়াত্রার মেয়ে সে। নির্বাচনের প্রাথমিক ফল জানা গেলেও এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হবে না। তা হতে হতে আরো বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। এমন অবস্থায় প্রশ্ন হচ্ছে, পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন পার্লামেন্টের জয়েন্ট সেশনে। সেখানে ২৫০ আসনের সেনেট আছে। এই সেনেট বর্তমান শাসকদলের হাতে। ফলে নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা অনেকটাই নির্ভর করবে সেনেটের হাতে।
গত এক দশকে একাধিক সেনা অভ্যুত্থান দেখেছে থাইল্যান্ড। দেশের সংবিধান বদলে ফেলা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ২০২০ সাল থেকে দেশজুড়ে ব্যাপক ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়। সেনাবাহিনী কড়া হাতে তা মোকাবিলা করে। ছাত্রদের দাবি ছিল। সেনাবাহিনীর তৈরি সংবিধানের বদল এবং রাজার ক্ষমতাহ্রাস। গণতন্ত্রের পক্ষে লড়াই ছিল তাদের। বর্তমান বিরোধীপক্ষ ছাত্র আন্দোলনের সমর্থক। তারাও গণতন্ত্রের জন্য লড়ছে। ফলে এই জয়ে দেশের গনতন্ত্রপন্থিরা অত্যন্ত আনন্দিত। কিন্তু শেষপর্যন্ত বিরোধীপক্ষ কতটা সুযোগ পাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।



