
ইউরোপের তিন দেশে শক্তিশালী ঝড়, ১৩ জনের প্রাণহানি
মধ্য ও দক্ষিণ ইউরোপের তিন দেশে শক্তিশালী ঝড়ে অন্তত ১৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বিবিসি জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে তিন শিশু রয়েছে। প্রবল ঝড়ে আহত হয়েছে বহু মানুষ।
নিহতদের মধ্যে বেশির ভাগই প্রাণ হারিয়েছে ঝড়ে উপড়ে যাওয়া গাছের নিচে চাপা পড়ে।
ইতালি, অস্ট্রিয়া ও ফ্রান্সের কর্সিকা দ্বীপে প্রাণ গেছে ওই ১৩ জনের।
ফ্রান্সের কর্সিকা দ্বীপেই মারা গেছে ছয়জন। ঝোড়ো আবহাওয়া শান্ত হওয়ার পর সেখানকার পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে কর্সিকা দ্বীপে গেছেন ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরী এবং এক যুবক রয়েছেন। তারা মারা গেছেন ঝড়ে উপড়ে যাওয়া গাছের নিচে চাপা পড়ে। আরেকজন বয়স্ক নারীর গাড়ির ওপর আছড়ে পড়েছে সাগরতীরে পর্যটকদের জন্য তৈরি একটি ছাউনি। তাতেই মারা পড়েন তিনি।
ফ্রান্সের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঝড়ের সময় কর্সিকার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ২২৪ কিলোমিটার গতিতে বয়ে গেছে দমকা হাওয়া। শক্তিশালী ঝড়ে দ্বীপটির বহু জায়গায় গাছ উপড়ে গেছে, বিপুলসংখ্যক ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঝড়ে অস্ট্রেলিয়ায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন অপ্রাপ্তবয়স্ক। সব মৃত্যুই ঘটেছে গাছের তলায় চাপা পড়ে। অন্যদিকে ইতালিতে দুজন নিহত হয়েছেন। তারাও মারা গেছেন গাছের নিচে চাপা পড়ে।
ইতালির ভেনিস, টুসকানি ও লিগুরিয়ায় ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেশি। ভেনিসের বিভিন্ন খোলামেলা রেস্তোরাঁর ছাউনি উড়ে গেছে। টুসকানি ও লিগুরিয়ায় অনেক বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে।
বিবিসি।



