
এখনও শেষ হয় নি বইমেলার সব স্টল ও প্যাভিলিয়ন নির্মাণ কাজ
এখনও শেষ হয় নি সব স্টল ও প্যাভিলিয়ন নির্মাণ কাজ। শৌচাগার ও নামাজের স্থানের নির্মাণ কাজেরও একই অবস্থা। মেলায় প্রবেশ করলেই পাওয়া যাচ্ছে হাতুড়িপেটার আওয়াজ। চলছে রংয়ের কাজ। কোথাও আবার লাগানো হচ্ছে স্টলের ছাদ বা নামফলক।
অভিযোগ রয়েছে প্রতি বছর মেলার প্রথম দিকে দেখা যায় রং করা হচ্ছে নয়ত সাজসজ্জার কাজ চলছে। শৌচাগার ও খাবারের দোকান ঠিক হতে হতে এক সপ্তাহের বেশি সময় পার হয়ে যায়।
শৌচাগার ও নামাজের স্থানের বিষয়ে বইমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ড. জালাল আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, আমরা এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করছি। এবার মেলা হওয়ার সিদ্ধান্ত আমরা পাই ১৮ জানুয়ারি। সেদিক থেকে খুব বেশি সময় পেয়েছি তা বলা যাবে না। আর শৌচাগার সুন্দর করে টাইলস দিয়ে নির্মাণ করতে গেলে একটু সময়ের প্রয়োজন। এর মধ্যে ঝড়ে একবার দেওয়াল ভেঙেও পড়েছিল। আমরা বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েছি। আশা করছি দু-তিন দিনের মধ্যেই শৌচাগার ও নামাজের স্থান নির্মাণ হয়ে যাবে।
প্যাভিলিয়ন ও স্টল নির্মাণে দেরির বিষয়ে অন্যপ্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম জানান, এবার বাংলা একাডেমি থেকে স্টল/প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ পেতে দেরি হয়েছে। ফলে সময় কম পাওয়া গেছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নিজে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন বলে নিরাপত্তাজনিত কারণে আগের রাতের মধ্যেই সব কাজ শেষ করতে হয়। কিন্তু এবার সেই বিষয়টি না থাকায় অনেকেই ধীরে ধীরে কাজ করছেন।
শনিবার বিকালে বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী : স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে আবুল মোমেন লিখিত প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলা একাডেমির সহপরিচালক সাহেদ মন্তাজ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন আবুল কাশেম এবং ফওজুল আজিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক খুরশীদা বেগম। শনিবার লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের বই নিয়ে আলোচনা করেন আবদুস সেলিম, শাহেদ কায়েস এবং আঁখি হক।❐



