
ঘর-বাড়ি নেই, তাই পার্টি অফিসে মানিক সরকার
রূপসী বাংলা ডেস্ক:ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন মানিক সরকার। সদ্য সাবেক হওয়া এই রাজনৈতিক ব্যক্তির জীবনযাপন একেবারেই সাদাসিধে। টানা ২০ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। একই সঙ্গে রাজ্যের অন্যতম রাজনৈতিক সংগঠন সিপিএমের সভাপতি।
৩ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজিত হয় তার দল। দুই দশক মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর এবার ছাড়তে হচ্ছে এ দায়িত্ব। আর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন বিপ্লব দেব।
মানিক সরকার মায়ের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে একটি বাড়ি পেয়েছিলেন। তাও আবার ৪৩২ বর্গফুটের সেই টিনশেডের বাড়িটি পেয়েছেন তার বোনের সঙ্গে যৌথভাবে। সেদিক থেকে এককভাবে একটি বাড়িরও মালিক নন মানিক সরকার। শহরের বাইরে কৃষ্ণনগরে বাড়িটির অবস্থান। এদিকে সরকারের জরিপেও গরিব মুখ্যমন্ত্রীর খেতাব পেয়েছেন তিনি।
নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব শপথ নেবেন আজ (শুক্রবার)। এর আগেই বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর বাংলো ছেড়ে দিয়েছেন মানিক সরকার। মার্কস অ্যাঙ্গেলস সরণিতে সরকারি বাড়ি এটি। এখন থাকার মত বাড়ি না থাকায় তিনি উঠেছেন দলীয় কার্যালয় ভবনের একটি ছোট্ট অতিথি কক্ষে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, দলের সিদ্ধান্তেই তিনি অতিথি ভবনে থাকছেন।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়, ১৯৯৮ সাল থেকে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা মানিক সরকারের নিজের কোনও গাড়ি নেই। তার ব্যাংকে যে রুপি আছে তা আগের চেয়েও কম। ২০১৩ সালের নির্বাচনের সময় দেয়া হলফনামা থেকে জানা গেছে, তখন তার ব্যাংক হিসাবে ছিল ৯ হাজার ৭২০ রুপি।
সিপিএমের স্টেট পার্টি সেক্রেটারি বিজন ধর জানান, দলের গেস্ট হাউসের একটি কক্ষে স্ত্রী পাঞ্চালি ভট্টাচার্যকে নিয়ে থাকবেন মানিক সরকার।
সিপিএমের অফিস সেক্রেটারি হরিপদ দাস জানিয়েছেন, দলীয় কার্যালয়ের রান্নাঘরে তৈরি খাবারই খাবেন তিনি। এর মধ্যে কিছু বই, কাপড় ও প্রয়োজনীয় জিনিস ওই কার্যালয়ে পাঠিয়েছেন মানিক সরকার। তবে সরকার থেকে বরাদ্দ পেলে নতুন বাড়িতে স্থানান্তরিত হতে পারেন। বিডি-জার্নাল



