
দ্বিতীয় দিনে ১৯ জনের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা, বৈধ ২১
রূপসী বাংলা ঢাকা ডেস্ক রিপোর্ট: আপিল আবেদনের দ্বিতীয় দিনের শুনানি শুরু হয়েছে। আজ ৭ ডিসেম্বর শুক্রবার ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে এই শুনানি শুরু হয়। বেলা ১২টা পর্যন্ত জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারসহ ১৯ জনের আপিল আবেদন অবৈধ ঘোষণা করে আদালত। আর বৈধতা পায় ২১ মনোনয়ন।
৬ ডিসেম্বর শুনানির প্রথম দিন শুনানি হয় ১ থেকে ১৬০টি আপিল আবেদনের। শুনানি শেষে ৮০ প্রার্থী বৈধ আর অবৈধ হয় ৭৬ প্রার্থীর আবেদন ও স্থগিত করে বাকি চার প্রার্থীর আপিল।
শুনানির দ্বিতীয় দিনে ১৬১ থেকে ৩১০ পর্যন্ত আপিল আবেদনের শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে কমিশন। আর তৃতীয় দিন আগামিকাল ৮ ডিসেম্বর ৩১১ থেকে ৫৪৩ নম্বর আবেদন নিষ্পত্তি করা হবে। জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত ৩ হাজার ৬৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। ২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে ৭৮৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করে রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এরপর ৩, ৪ ও ৫ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র ফিরে পেতে আপিল আবেদন করেন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা।
দ্বিতীয় দিন মনোনয়নের বৈধতা পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের মো. মুসলিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের হাসান মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ আসনের মো. আবু আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের মো. গিয়াস উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের আবদুল খালেক, কুমিল্লা-১০ আসনের মো. শাহজাহান মজুমদার, চাঁদপুর-৫ আসনের খোরশেদ আলম খুশু, বরিশাল-২ এর একে ফাইয়াজুল হক, পটুয়াখালী-১ আসনের মো. আবদুর রশিদ, বরিশাল-১ আসনের মো. বাদশা মিয়া, বরগুনা-১ আসনের মো. মতিয়ার রহমান তালুকদার, ভোলা-১ আসনের গোলাম নবী আলমগীর, বরিশাল-২ আসনের মাসুদ পারভেজ, ঝালকাঠি-১ আসনের বজলুল হক হারুণ (তার মনোনয়ন বাতিল করতে আপিল করা হয়। শুনানিতে সেই আপিল খারিজ হয়ে যায়), পটুয়াখালী-২ আসনের মো. শহিদুল আলম তালুকদার, বরিশাল-২ আসনের সৈয়দ রুবিনা আক্তার, ভোলা-৪ আসনের নাজিম উদ্দিন আলম, বরিশাল-৪ এর মাহাবুবুল আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের মো. মেহেদী হাসান ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের মো. ছাইফুল্লাহ (হুমায়ুন মিয়া)।
আপিলের পরও অবৈধ হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন কুমিল্লা-১ আসনের মো. আলতাফ হোসাইন, চট্টগ্রাম-৬ আসনের সামির কাদের চৌধুরী, ফেনী-৩ আসনের মো. আবদুল লতিফজান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের মো. শাহজাহান, কুমিল্লা-২ আসনের মো. আব্দুল মজিদ, বরিশাল-৬ আসনের ওসমান হোসেইন, পিরোজপুর-৩ আসনের ডা. সুধীর রঞ্জন বিশ্বাস, ঝালকাঠি-১ আসনের মো. মনিরুজ্জামান, পটুয়াখালী-১ আসনের এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, পটুয়াখালী-২ আসনের মোহাম্মদ মিজানুর রহমান খান, ভোলা-৪ আসনের এম এ মান্নান হাওলাদার, ঝালকাঠী-১ আসনের মোহাম্মদ শাহজালাল শামীম, পিরোজপুর-১ আসনের মনিমোহন বিশ্বাস, বরিশাল-৬ আসনের নাসরিন জাহান রতনা, বরিশাল-৪ আসনের মো. মেজবা উদ্দীন ফরহাদ, ঝালকাঠী-১ আসনের ইয়াসমিন আক্তার পপি, পিরোজপুর-৩ আসনের মো. রুস্তম আলী ফারাজী, পটুয়াখালী-২ আসনের মো. শফিকুল ইসলাম ও ভোলা-২ আসনের হুমায়ন কবির।
শুনানিতে উপস্থিত রয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা, কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।



