
পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে অনুশোচনা নেই আঙ্গেলা ম্যার্কেলের
জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল বলেছেন পররাষ্ট্রনীতিতে রাশিয়াকে সমর্থন করে যাওয়ার জন্য তাঁর কোনো অনুশোচনা নেই। মঙ্গলবার এক টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তৎকালীন চ্যান্সেলর ও ইউরোপের অন্যতম প্রভাবশালী নেত্রী এ কথা বলেন।
আঙ্গেলা ম্যার্কেল বলেন, কোনো কূটনীতি কাজ না করলেই তাকে ভুল বলা যাবে না। রাশিয়া ও চীনের মতো দেশকে এড়িয়ে কাজ করা সহজ নয়। তাই ক্ষমা চাওয়ার কিছু নেই।
রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণকে ‘অবৈধ ও বর্বরোচিত’ আখ্যা দিয়ে ম্যার্কেল বলেন, এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পুতিন ‘বড় ভুল’ করেছেন। তিনি ইউরোপ ভাঙতে চান। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জোটবদ্ধ থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
২০০৮ সালে ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ায় বাধা দেওয়ার বিষয়েও নিজেকে দোষী ভাবেন না ম্যার্কেল। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ইউক্রেন তখনো প্রস্তুত ছিল না। আর ন্যাটোতে যোগ দিলে পুতিনের সঙ্গে ইউক্রেনের সম্পর্ক আরো খারাপ হতো।
সাক্ষাৎকারে বীরত্বের সঙ্গে ইউক্রেনের লড়াই করার প্রশংসাও করেন এ জার্মান নেতা। সেই সঙ্গে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির প্রতি তাঁর সর্বোচ্চ সম্মানের কথাও জানান।
ক্ষমতায় থাকার সময় দেশের প্রতিরক্ষা খাতে তেমন বিনিয়োগ করেননি আঙ্গেলা মেরকেল। তবে তাঁর উত্তরসূরি বর্তমান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ ন্যাটোর সঙ্গে সম্মত হয়ে এই খাতে এককালীন ১০০ বিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ এবং বার্ষিক জিডিপির ২ শতাংশের বেশি বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন। বিষয়টিকে সমর্থন করে ম্যার্কেল বলেন, পুতিন শুধু অস্ত্রের ভাষাই বোঝেন। সূত্র : এএফপি



