
বাস গৃহে কী দেবতা বসেছেন?
বন্ধু নিয়ে ব্যস্ত আছো খুব!
যে মন্দিরে প্রাণস্পন্দন আমার
কী করে ছেড়ে যাই বলো তো দেখি!
সিঁদুরের রঙ মুছে ফেলেছি সেই কবে
ঢাকাই শাড়ি? জানিনা কে পরে।
আমি যা পরি বিশেষ কিছু নয়
গয়না শাড়ি ভালো লাগে না মোটে।
হেঁসেল ঠেলায় নই একটুও পটু
সূচীকর্মে চক্ষে জ্বালা ধরে।
বিশেষত্বর বাইরে আছি বেশ
এটাই আমি। তোমার অর্ঘ্য নিয়ে।
তোমার মনের মন্দিরে বাস করি
সাদামাটা আটপৌরে বসন
ভূষণ? সে তো তোমার কথার ডালি,
তাতেই হৃদয় পূর্ণ হয়ে ভাসি।
মাথায় করে রাখছো তুমি যারে
লোকের মতে, “অযোগ্য সে বটে
ভিখারিনি; পথে পথেই ঘোরে
ভালো সে নয়, কুড়ায় পথের ফুল।
পথেই থাকে, তাইতো পথে দেখা
ভালোদের কী এমনতরো ঘটে?”
কথার শরে কষ্ট যদি বিঁধে
সব সয়ে যাই তোমার যপে তপে।
তোমার বাণী মন্ত্রে আমি লীন
দিন রাত্তির তোমার সাথেই কাটে।
হঠাৎ দেখা, দেখেই বলেছিলে
আমার জন্য অপেক্ষাতেই ছিলে।
হঠাৎ দেখা দুর্ঘটনা নয়
এ দেখা তো হতোই নিশ্চয়
পথ যদি বা মিললো পথের শেষে
এতোটা দেরি হতেই হবে পথে?



