
ফেনীতে ধর্ষণবিরোধী লংমার্চে হামলার প্রতিবাদে নিউ ইয়র্কে বিক্ষোভ
বাংলাদেশের ফেনী জেলায় ধর্ষণবিরোধী লংমার্চ-সমাবেশে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে নিউইয়র্ক প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
নিউ ইয়র্ক থেকে আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গেল শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় আয়োজিত সমাবেশ থেকে ‘ধর্ষণ ও বিচারহীনতা বিরোধী’ লংমার্চের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফেনী জেলায় ধর্ষণবিরোধী লংমার্চ-সমাবেশে হামলার খবরে তাৎক্ষণিকভাবে আয়োজতি এ প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে হামলায় জড়তিদরে গ্রপ্তোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অপসারণরে দাবী জানানো হয়।
সমাবেশে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা কাশেম আলী বলেন, ‘বর্তমান সময়ে হত্যা, খুন, ধর্ষণ, অর্থ লোপাট সীমাহীনভাবে বেড়ে গেছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে প্রসাশন।’
প্রোগ্রেসিভ ফোরামের সভাপতি খোরশেদ আলম বলেন, ‘দেশে নারীর প্রতি নিপীড়ন-ধর্ষণ ও হত্যাসহ সহিংসতা বন্ধে ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগসহ নয় দফা দাবির পক্ষে জনমত গঠনে বাম ঘরোনার বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের ঢাকা থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত লংমার্চে ফেনীতে দু’দফা হামলা করা হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন অনেকে। ভাঙচুর করা হয় লংমার্চের কয়েকটি গাড়ি। যারা এ ঘটনায় জড়িত তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।’
সমাবেশে বক্তব্য দেন উদীচীর সুব্রত বিশ্বাস, মানবাধিকার কর্মী সারমিন সুলতানা, মুক্তিযোদ্ধা কাশেম আলী, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা জাকির হোসেন বাচ্চু, মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুলেখা পাল, নাট্যকর্মী হিরো চৌধুরী, প্রোগ্রেসিভ ফোরামের সভাপতি খোরশেদ আলম ও সাধারণ সম্পাদক আলিম উদ্দিন ও ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা লিয়াকত আলীসহ আরও অনেকে।
উল্লেখ্য, নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে নয় দফা দাবিতে গত ১৬ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগ থেকে নোয়াখালীর উদ্দেশে দুই দিনব্যাপী লংমার্চ শুরু হয়। বামপন্থী কয়েকটি ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এ কর্মসূচি পালন করে।❐



