
হিমশৈলের চূড়াটাই দেখছি কেবল
কে জানে লুকোনো কত রহস্যমালা
সূর্য সন্তানরা না চাইতেই হঠাৎ কেন
অতিরিক্ত পেয়ে মুখোমুখি জনতার?
অনেক আগের এক যুদ্ধ ফিরছে কি?
এক পক্ষের বর্শাগ্রে পবিত্র পুস্তক
ন্যায়ের ঝাণ্ডাধারীগণ বিব্রত বিভ্রান্ত!
মহান স্থপতি যিনি তার মিনিয়েচার
দেশজুড়ে যেন বা নতুন দেবতা এক
মন থেকে মাটিতে ছুঁড়ে ফেলা তাকে
মাঝে অগণন ফেরিওয়ালার কংক্রিট
কতটা কেবল নগদ নারায়ণ জানে।
হঠাৎ শিশুদের নিরাপদ রাস্তার আর্তি
সাদা গাড়ি থেকে মরিচের পানি ছোটে।
সে দিনের বাচ্চাদের দাড়ি গোঁফ গজায়
বর্ষার মধ্যে শোনায় আরেক ফাল্গুন।
ঈশ্বরের অবিশ্বাস বৈধতা দিত অপঘাতের
এবার গাঢ় বিশ্বাস উল্টো দিকে ঘোরায় তা।
বুক চিতিয়ে কেবল ক্রিকেট স্টাম্প তাও
উদ্যত নয় কোনমতেই অথচ বুলেট ছোটে
পাহাদারের তারই মালিকের দিকে অবিরাম।
শান্তির সাঁজোয়া যান থেকে নিক্ষিপ্ত শিশু
কেবল রাজপথ নয় ছাদ,ঝুলবারান্দা
কেবলই লাল হতে থাকে শোকের রঙ।



