মুক্তমত

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ২

মাহমুদ রেজা চৌধুরী


‘তুঝছে নারাজ নেহি জিন্দেগি হয়রান হুঁ ম্যাঁয়
হো হয়রান হুঁ ম্যাঁয়
তেরি মাসুম সাওয়ালো সে
পেরেশান হুঁ ম্যাঁয়, হো পেরেশান হুঁ ম্যাঁয়
জিনে কে লিয়ে, সোচা হি নেহি
দর্দ সামাল নে হোঙ্গে…’

এলোমেলো: এই মুহূর্তে মনের যে অবস্থা সেখানে বসে খুব গুছিয়ে কিছু লিখতে পারব বলে মনে হয় না। অনেক অনেক কিছু এই মনের করিডোরে ছোটাছুটি করে। সেখানে ‘আশা’র চাইতে ‘হতাশা’ বেশি। স্বপ্নগুলো একটা একটা করে শেষের পথে । এটাই আমার শেষ লেখা হয় কিনা! কেবা জানে। যদি বেঁচে থাকি, তাহলে হয়তো লিখব। সব মৃত্যু তো আর ঘন্টা বাজায়ে আসেও না। না আসাটাই ভালো।

ভুলে না গেলে, প্রতিদিন মনে করি, হতে পারে আজকেই জীবনের শেষ দিন। এতে কি লাভ ? লাভ একটা হয়, প্রতিদিন যদি দশজনকে কারণে বা অকারণে কষ্ট দিই, এই সংখ্যা অন্তত ‘একটা’ কমাতে পারি, এইটাই একটা বড় লাভ। এইসব নানান বিষয় নিয়ে ভাবতে গিয়ে মাঝে, মাঝে মনে হয়, জীবন নিয়ে আমি সত্যিই হয়রান এখন। জীবনের প্রতি নারাজ না, কিন্তু জীবনের নানা প্রশ্নে পেরেশান আমি।

আমার সার্বক্ষণিক চিন্তা, চেতনা ঘুরেফিরে আমার পারিপার্শ্বিকতা, সমাজ ও দেশের মানুষকে নিয়ে। তাই সব লেখাতেই এই বিষয়গুলো বেশি অগ্রাধিকার পায়। এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে, আমাদের সামনের দিনগুলো আরও অনেকে বেশি কষ্ট এবং অমানবিক হবে। স্বাধীনতা বলি, সার্বভৌমত্ব, ব্যক্তি অধিকার, নীতি নৈতিকতা, আইন, আদালত বিচার- যাই বলি, সর্বত্রই ‘প্রভুত্ব’ আরও বাড়বে আপাতত যেই ক্ষমতায় থাকুক বা আসুক না কেন।
গণতন্ত্রের সংগ্রাম চলতে পারে কিন্তু প্রতিষ্ঠিত হবে না। কারণ সমগ্র বিশ্বই আজকে গণতন্ত্রের বিপক্ষেই। তবে গণতন্ত্রের ‘লেবাস’ পড়া কোথাও কোথাও। ব্যতিক্রম, থাকতেই পারে। আমাদের দেশেও আছে। নাই কোথায়? যেই দেশে বসে লিখছি এখন (যুক্তরাষ্ট্র), এখানেও একই অবস্থা, কম বেশি।

আমাদের জানাশোনার পরিধি খুবই সংক্ষিপ্ত বা সীমিত। সেইটুকুর মধ্যে দাঁড়িয়ে আমাদের বিভিন্ন মহল এবং শ্রেণিতে অনেক কথা বলি এবং হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশে এবং আমাদের বাঙালীদের মধ্যে আমরা একেকজন অনেক সময় এমনভাবে কথা বলি, মনে করি, ‘আমাদের’ চিন্তাটাই ঠিক। অনেকে সেখানে কিছু বললে বলেন, এটা একটা ‘প্রতীকী’ কথা বা বক্তব্য।‌ এতে ‘গোসসা’ করার কি আছে! আসলেও কিছুই তো নাই। কিন্তু মনের তাৎক্ষণিক ‘প্রতিক্রিয়া’ বলেও একটা বাস্তবতা তো আছেই।

আমাদের অনেক কথা সেটা প্রতীকী হোক বা প্রতিবাদী, পড়লে অনেক সময় মনে হয়, ‘আমি’ যাই বলছি তাই সঠিক, তাই হোক। বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের একটা কথা মনে পড়ে। ‘আমরা যা জানি তা কেবলই এক ফোঁটা পানি। আর যা জানি না, তা হচ্ছে সমুদ্র। এই এক ফোঁটা পানির জ্ঞান দিয়েই আমাদের অনেকের এই মাটিতে দাপাদাপি, ঝাপাঝাপি। বিদ্যার ‘শোডাউন’। প্রতিযোগিতাও। মাঝে মাঝে জীবন হয়ত তাই নীরবে বলে, জীবন নিয়ে আমি পেরেশান! এর ‘মাসুম’ প্রশ্নের কাছে আমি পেরেশান। বাকহারা। তবু অনেকেই মনে করি, আমরা সব জানি। কিন্তু ‘এই আমরা’ জানিই না যে ‘আমরা জানিও না’ অনেক কিছু। কষ্টটা সেখানে যখন আত্মসমালোচনা করি।

প্রিয় স্বদেশ, বাংলাদেশ। আজকে এখানে আমাদের প্রধান সমস্যা কি? নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের আকাশচুম্বী মূল্য। সর্বস্তরের মানুষের জন্য নানারকম সামাজিক অনিশ্চয়তা। অর্থনৈতিক অসম বন্টন। নানাবিধ বৈষম্য। নীতি-নৈতিকতার অবক্ষয়। মূল্যবোধের অবক্ষয়। রাজনীতির অবক্ষয়। রাজনৈতিক অধিকারের পরাজয়। ইতিহাসের বিকৃতি গণতন্ত্রের নামে লাঠির ভয়। এই লাঠি দিয়ে গণতন্ত্র ‘দমনের’ চেষ্টা। এইসবের দৃষ্টান্ত কি আমরা ’৭২ উত্তর সময় থেকেই দেখে আসছি না? মৌলিক কোনো পরিবর্তন আছে কি? না, সেটা নাই। এই না হবার জন্য আমরা প্রত্যেকেই কমবেশি দায়ী, কোনো সরকারই এককভাবে না। তবু দায়িত্বের প্রশ্নে বা নেতৃত্বের প্রশ্নে সরকারের ভূমিকাটা অগ্রণী হয়। এই কারণেই সরকারের কথা আসে।

অতীত নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করবার কোনো দরকার নাই। সেটা অনেকবার হয়েছে। অনেক লেখালেখি, আলোচনা, কথার যুদ্ধ। কম হয় নাই গত অনেক যুগ। সবগুলোর দৃষ্টান্ত নাইবা দিলাম। যেহেতু চলতি ঘটনা নিয়েই এই লেখা। তাই চলতি দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত রাজনৈতিক দুর্ঘটনার দুই একটা নিদর্শন নিয়ে আবারও বলি। এই কথা বলতে গিয়ে ব্যাট হাতে মাঠে হয়ত এলোপাথাড়ি ব্যাটিং হতে পারে। সেই ব্যাটিংয়ে কখনও চার, কখনও ছক্কা, কখনও বারো রান আউট, বা বোল্ড আউট হতেও পারি। আপাতত ব্যাট হাতে যখন দাঁড়িয়ে আছি, বল পেটানোই প্রধান কাজ।

গেল ২৮ অক্টোবর রাজনীতির ‘ক্রিকেট পিচে’ দাড়িয়ে, কেউ বা দর্শক গ্যালারিতে বসেও দেখি; ‘বোলার’ বল ছুঁড়ছেন বোলিংয়ের সব নিয়ম-কানুন না মেনে। ‘অফ বল’ । কিন্তু আম্পায়ার কোনোটাকেই ‘অফ’ বা ‘রঙ বল’ বলছেন না। ভুল বোলিং করে মাঠ থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছেন একদলের খেলোয়াড়কে আহত করে। আম্পেয়ার সহযোগিতা করছে সেখানে। এই দৃশ্য যে কেবল এখনই দেখছি তাও না, অতীতেও দেখেছি। বাট নো চেঞ্জ অব ইট ইয়েট। শুরু বরাবরের মতোই ২৮ অক্টোবর একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। যখন একটা দল পরিস্থিতির কারণে মাঠে নামতে চেয়েছে ব্যাটিংয়ে। তখন একই ফিল্ডে অপর দল তারাও মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তটা তারা না নিলে ওইদিনের সংঘাত এড়ানো যেত। তাই এই অরাজকতার ‘হুকুমের আসামী’ কে, যদি থাকে! আরেকটা কথা, আমাদের সংবিধানে বা আইনে কোথাও ‘হুকুমের আসামী’ কথাটা আছে নাকি? না থাকলে আমরা কেন কাউকে ‘হুকুমের আসামী’ বলেও আসামী’ করি? জানি না।‌

ওই দিনের ঘটনা নিয়ে সরকারি বয়ান এবং তাদের বক্তৃতা বিবৃতিতে মনে হয়, সেইদিনের উশৃঙ্খলতার জন্য দায়ী একটা মাত্র দল- বিএনপি। কিন্তু দেশের মানুষ কি তা মেনে নিয়েছেন বলে মনে হয়? মানুষকেই জিজ্ঞাসা করুন। তবে ‘অমানুষকে’ না। অভিযোগ করা হয়েছে, প্রধান বিচারপতির বাড়ি আক্রমণ করেছে নাকি বিএনপি! ইজ ইট? কেউ যদি বলে এটা বিএনপি করে নাই। আদালতে প্রমাণ করা যাবে কি! নাকি সরকারি উকিলের বয়ানকেই এর শেষ বয়ান হিসেবে ধরা হবে? যুক্তি আসতেই পারে। আবার এটা আওয়ামী লীগ করেছে। তারও বা প্রমাণ করা যাবে কি! এটারও কি কোনো প্রমাণ আছে? এটারও ‘প্রমাণ’ কঠিন। তাহলে কি দাঁড়াল! অভিযোগ প্রমাণের সপক্ষে বা বিপক্ষে কোনো যুক্তি নাই। কি আছে? আছে, শক্তি, ক্ষমতা এবং প্রভাব। এভাবেই আমরা বিগত অর্ধশত বছর চলে আসছি। ইতিহাস তাই বলে।

আমাদের অর্ধশত বছর যা চলে গেছে আমাদের স্বাধীনতার পর, প্রতিবারই আমরা বিরোধীদের ‘মত’ এবং বিরোধী আন্দোলনকে ‘দমন’ করার চেষ্টা করেছি রাজনৈতিক অপশক্তির বলে। ‘ক্ষমতার’ বলে। ব্যবহার করেছি রাষ্ট্রকে, নিজের বা নিজেদের ‘প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান’ মনে করে। এই প্রসঙ্গে একটা গল্পের কথা মনে পড়ে, ‘দেশে তখন চরম কোনো আন্দোলন চলছে। রাস্তাঘাটের যত্রতত্র তল্লাশি। পুলিশ তল্লাশির কাজ করছেন। হঠাৎ সিএনজিতে এক বোরখা পরা নারীকে আটক করা হয়। আসবাবপত্র চেক করবার নামে। এক পর্যায়ে পুলিশ নারীকে প্রশ্ন করে, সে কি করে, স্বামী কি করেন। ছেলেপেলে কি করে ইত্যাদি। মহিলা উত্তর দিলেন সে গৃহবধূ। স্বামী নাই। ছেলেপেলের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, বিয়ের পর আমার যে ছেলে মেয়ে হয়েছে, ওরা কেউ ডাক্তার, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, কেউ বিদেশ আছে। বিয়ের আগে যারা হয়েছে, ওরা সব পুলিশে যোগ দিয়েছে’!

গল্প, তবু এই জীবনেরই তো গল্প তাই না! আমাদের পুলিশ বাহিনীকে কোনোভাবেই ছোট করতে চাই না। বরং দেশের পুলিশ বাহিনীকে, একটা ‘ইন্সটিটিউশন’ মনে করি। কিন্তু তাদের ‘ব্যবহার’ করে ‘এস্টাবলিশমেন্ট’ সাধারণত যা করেন, সেটা এদেরকে সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী বা অস্ত্রধারী প্রাইভেট বাহিনী করে রাখা। আর যারা সত্যি পুলিশ, আনফরচুনেটলি তারা সবসময়ই ক্ষমতাহীন। এটাই আজকের বাস্তবতা। বিতর্কের কোনো জায়গা নাই এখানেও।

সামনে নির্বাচনের সময় আসছে। সেদিনও দেশের অন্যতম জনপ্রিয় অনুষ্ঠান তৃতীয় মাত্রায় এই বিষয়ে কথা বলতে এলেন দেশের দুইজন স্বনামধন্য গুণী ব্যক্তি। একজন প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডক্টর এম সাখাওয়াত হোসেন, অন্যজন দেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ডক্টর তোফায়েল। সংক্ষেপে উভয়ে যা বললেন সেটা দেশে নির্বাচনের পরিস্থিতি এখনও বিরাজ করছে না। কারণ, নির্বাচনকে সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য করার জন্য যে রাজনৈতিক অবস্থা বিরাজ করবার কথা বা থাকার কথা সেটা নাই এখনও। তাঁদের উভয়ের কথাতে এটাও প্রমাণ হয় যে, আমাদের নির্বাচন কমিশনকে যতটা দেশের মানুষের বিশ্বাস করার কথা বা সেখানে আস্থা থাকবার কথা। দেশের মানুষের সেই আস্থা এবং বিশ্বাস নাই সেখানে।

দেশের নির্বাচন কমিশন আইনগতভাবে যতটা স্বাধীন তাঁদের কাজে, তাঁরা ততটাই পরাধীন। এই অবস্থায় বসে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন করা বা তেমন একটা নির্বাচন হওয়া এক্সিডেন্টলি না হলে অবিশ্বাস্য হবে। কিন্তু সরকার অগ্রসর হচ্ছে এই নির্বাচন করবার ‘জেদ’ নিয়েই সংবিধানের দোহাই দিয়ে। অনেকবারই অনেকেই বলেছেন রাষ্ট্রের সংবিধান রাষ্ট্রের মানুষের জন্য, সরকারের জন্য না। সংবিধান কোনো বাইবেল-কোরআন না। এর পরিবর্তন জনগণের স্বার্থে হতেই পারে। কিন্তু তা হবে বলে মনে হয় না।

এই পরিস্থিতিতে ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন কি হতে পারে! এই ব্যাপারেও একটা ধারণা অনেকের মনে জায়গা করে নিয়েছে। আরেকটা পাতানো নির্বাচন বা শক্তি প্রয়োগের নির্বাচনে বর্তমান সরকার কন্টিনিউ করতেও পারে। এটা সরকার প্রধান চাচ্ছেন। সংবিধানের দোহাই দিয়ে। উন্নতির একক দৃষ্টি দিয়েও। বর্তমান সরকারের আমলে এই সংবিধানের অনেক পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু। হ্যাঁ সংসদে বসে যে কোনো সরকার যে কোনো কিছু করতেও পারেন। সেই অধিকার সরকারকে দেওয়াও আছে। কিন্তু একটা সংসদে যদি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকে এবং একজনই সেখানে প্রধান থাকেন। সেই সংসদের ভূমিকা কি হতে পারে। সচেতন মানুষকে সেটা বলে দেবার কোনো অপেক্ষা রাখে না।

আমাদের রাজনীতিতে অতীতের কোনো প্যাকেজ বহন করাও সব রাজনৈতিক দলেরই কমানো দরকার। ৫২ বছর আগের বিশ্ব পরিস্থিতি এবং বাস্তবতা আজকে বিরাজ করে না। আমাদের জাতীয় অনেক নেতা ইতিমধ্যে চলেও গেছেন। তাঁদের নামকে ব্যবহার করে, তাঁদেরকে কোথাও কোথাও দলীয় স্বার্থে বিকৃত করা। রাজনীতির এই অপকৃষ্টি থেকেও আমাদের বের হওয়া দরকার।

আমাদের জাতীয় নেতা যারা পৃথিবী থেকে চলে গেছেন তাঁরা আর কখনই ফিরে আসবেন না। তাদের পুরস্কৃত করি বা নিন্দা করি। তাঁদের তাতেও কিচ্ছু যায় আসে না। তাই রাজনীতিতে কোনো অতীত নেতাকেও কথায় কথায় অশ্রদ্ধা করা বা অবজ্ঞা করার প্রবণতায় আমাদের দূরে থাকতে হবে। তাঁদের যে কোনো কাজের সমালোচনা হতেই পারে। কিন্তু তাঁদের কাউকেই অপমান করা সুস্থ ও গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে অসম্মান করা।

কাউকে সম্মান দিলে সেই সম্মান ফিরে পাওয়া যায়। যেমন কাউকে অসম্মান করলে সেটাও ফিরিয়ে দেওয়া হয় কোনো না কোনো ভাবে। এটা প্রকৃতিরই নিয়ম। আর প্রকৃতিকে চ্যালেঞ্জ করেও মানুষ কখনও বিজয়ী হয় না। আমরা মানুষ প্রকৃতির অধীন, প্রকৃতি আমাদের অধীনে না। প্রকৃতির প্রতিশোধ মানুষের প্রতিশোধের চাইতেও তীব্র এবং অস্বাভাবিক হতে পারে। পৃথিবীতে নানারকম প্রাকৃতিক দুর্যোগ তাই বলে। এইত সেদিনের ঘটনায ইন্দোনেশিয়ার সুনামি। প্রকৃতির প্রতিশোধ কিনা কে জানে। সেই কারণে জীবনের নানান প্রশ্নের মুখে অখুশি না কিন্তু বড় ক্লান্ত মনে হয়। ‘তেরি মাসুম সাওয়ালো সে পেরেশান হুঁ ম্যাঁয়’।‌

নিউ ইয়র্ক থেকে

মতামত সম্পূর্ণ লেখকের।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension