
কনক কুমার প্রামানিক
বসন্তে বর্ণিল আভায় ছেঁয়েছে ধরণীর অন্তর
নবরঙে রঙিন আচ্ছাদিত বৃক্ষরাজি প্রান্তর।
উজ্জ্বল পুষ্পে মধু-মক্ষিকাদের অবাধ বিচরণ
সুরভিত চারিপাশ পুলকিত অন্তরে নাচে মন।
ধরণীর বক্ষ জুড়ে পাখপাখালির গুনগুন সুর
উদাসী মন হারায় কল্পনায় সহসায় দূর বহুদূর।
বাঁধনহারা উল্লাসে মুখরিত কলকাকলির ভিড়ে
নিরন্তর দিগ্বিদিক ছুটে চলা মন ফেরে না নীড়ে।
রক্তিম আগুনে ছেঁয়েছে পলাশ শিমুলের ডাল
নিত্য সে বসন্ত বিরাজিত হোক অনন্ত মহাকাল।
পলাশ পল্লবে সুমিষ্ট সুর তোলে কোকিলের দল
ভোরের তরুণ দিনমণি পৃথিবীটা করে ঝলমল।
রঙিন বসনে ললনাদের শিরে শোভিত পুষ্প তাজ
দিকে দিকে উল্লাসিত মুক্ত বিহঙ্গ টুটে যাক লাজ।
বাঁধনহারা তরুণ হৃদয়ে খুলে দাও প্রণয়ের ভাঁজ
এ অনূঢ়া প্রকৃতির স্বয়ংবর সভা ছেড়ে দাও কাজ।



