
শ্যামল বণিক অঞ্জন
শুদ্ধ চিত্তে সোনার থালায় সাজিয়েছি নৈবেদ্য—
পাখিদের কলকাকলিতে মুখরিত স্নিগ্ধ ভোরে স্নান সেরেছি বিরহ সাগরে,
উপবাস ব্রত পালনের মাঝে সমাপন করবো বলে—
মনস্থির করেছি আরাধ্য দেবীর পূজা অর্চনা।
থরে থরে সাজিয়েছি রঙবেরঙের বাহারী ফুল ফল প্রসাদের অসীম উপকরণ।
কপালে শ্বেত চন্দনের টিপে-
ধান দুর্বা বিল্লপত্রে দেবীর চরণে দিব অঞ্জলী আত্মসমর্পণে।
হৃদয়ের সবটুকু ভক্তি ভরে জ্বেলেছি প্রেমের প্রদীপ,
ধূপকাঠির ধোঁয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছি সুবাস আকাশে বাতাসে,
স্বর্গের দ্বারে পৌঁছে দেবার প্রয়াসে হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার বার্তা।
এ আয়োজন শুধু মহাযজ্ঞের…
নত শিরে মিনতি জানাই হে দেবী,
কৃপা করো এই অধম ভক্তকে,
দাও দর্শণ, বাড়াও দয়ার হাত সর্বহারা মানুষটির তরে,
ছড়িয়ে দাও ভুবন জুড়ে শান্তির সু-বাতাস,
আলো দাও, ছায়া দাও, দাও তৃষ্ণার জল,
বেঁচে থাকার পর্যাপ্ত রসদে হয়না যেন ছল।
সীমার মাঝে অসীম তুমি হে প্রাণেশ্বরী!
রামচন্দ্রের মতো আমিও অকাল বোধনে আনবো তোমায় ধরায়,
পূজিবো যতন করে পরম মমতায়।
কথা দিলাম—
খুঁজে আনবো একশত আটটা নীলপদ্ম ত্রিভুবন ঘুরে
তোমার কৃপায় উড়াবো শান্তির পতাকা এ বিশ্ব জুড়ে।



