সারারাত স্বপ্নে, আধো জাগরণে, মাথার ভিতরে মুগ্ধ।
একচোখ বন্ধ কুত্তারবাচ্চাদের দেয়া কাঁদানো গ্যাসে,
তবুও ওর হাসিমাখা মুখ—
“পানি লাগবে? আর কার কার পানি লাগবে?”
ওদিকে স্বৈরাচারী হেলিকপ্টার গুলি ছিটায়।
নির্লজ্জ স্বৈরাচার গলা উচায়ে বলে,
“পানি, ওগুলা তো পানি ছিটানো হইছে”।
বন্ধু টেলিগ্রামে নিচু স্বরে জানায়,
“সব ভিডিও করা আছে, র্যাবের হেলিকপ্টার,
গুলি করা— সব। ল্যাপটপে লুকায়ে রাখছি।
রাস্তায় থামায়ে ফোন চেক করে।
দেশটা যদি স্বাধীন হয় কোনদিন, সব ছাড়বো,
সব। দেখিস তুই!”
স্বৈরাচার পানির নামে গুলি দেয়,
মুগ্ধ এক হাতে আহত চোখ ধরে, আরেক হাতে পানি বিলায়।
তবু, যদি স্বৈরাচার জিতে যায়,
তবে জেনে নিয়েন,
তারাই হবে মুক্তিযোদ্ধা
আর মুগ্ধ হবে রাজাকার।



