
সারমিন চৌধুরী
একদা হঠাৎ চৈত্রের কাঠফাটা রোদ্দুরে
তোমার চোখের কার্নিশে উড়ন্ত মেঘমালা দেখে
পথিমধ্যে একটু ছায়ার আশায় আমি দাঁড়িয়ে পড়ি
কিন্তু তুমি কালবৈশাখীর তাণ্ডব লীলা হয়ে
লণ্ডভণ্ড করে দিলে আমার ভরসার ছাউনি
ভেবে নিলাম হয়ত এটা তোমার জমা অভিমান;
তারপর একদিন ছুটে গেলাম তোমার ঠিকানায়
তুমি দৃষ্টির ন্যায় তখন পথটাও বদলে নিলে
অতঃপর চিতায় পুড়েছে আমার উদ্যমতা,
সমূলে উৎপাটিত হয়ে আমি হলাম ছাই।
তবু, ক্ষত বুকে দিবানিশি ঘুরেছি তোমার পিছু
সে কবেই শুকিয়ে কাঠ হয়েছে সুখের সরোবর।
সহ্য করেছি সূর্যের প্রখর তেজ নিশ্চুপ হয়ে
শুধু তোমারই এক ফোঁটা স্পর্শ পাবার আঁচে;
আমি রোজ রোজই ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে দিতে
পাঁজরে বেঁধেছি সহনশীলতার মস্তবড় বাধ
দেখিও অপেক্ষারত আমার নিথর অশ্রুবিন্দু
একদিন অঝোরে ঝরবে তোমার চোখ বেয়ে
কোনো এক শ্রাবণ মেঘের দিনে বৃষ্টি হয়ে।



