
জসীম উদ্দীন মুহম্মদ
রাতের আকাশ কাঁপে, তারারা খসে পড়ে মুঠোয়
আমার শহর ডুবে যায় আদিম শ্যাওলার অতলে।
গলিত মোমের মতোন গলে যায় সময়-অসময়
ঘড়ির কাঁটা স্থির হয়ে যায়, এক শূন্যতার ইশারায়।
সবার অজান্তে অদেখা পাখির গান ভাসে বাতাসে
অস্তিত্বের প্রতিটি তন্তু জানে তার নতুন সুর
ক্যাকটাসের কাঁটায় ফোটে থাকে রঙিন প্রজাপতি
সে এক মরীচিকা, যা আঁকে বাস্তবতার ক্যানভাসে।
যদিও ইদানিং ফ্যাকাশে চাঁদ হাসে আয়নার ওপারে
প্রতিফলনহীন এক নির্বাক চাহনি। পুরাতন সিন্দুক
খুলে দেখি অজস্র রাস্তা,প্রত্যেকটি মিশেছে এক
অচেনা দিগন্তে। ভাঙা আয়নায় দেখি সহস্র মুখ,
প্রত্যেকটি মুখ যেনো এক একটি হারানোর গল্প।
আমি হেঁটে যাই সময়ের উল্টো পথে, যেখানে ধূসর
স্বপ্নেরা ফিরে আসে বারবার। পাতার শব্দে শুনি না
বলা কথা, আদিগন্ত বিস্তৃত একক নীরব চিৎকার।
আর এই শূন্যতার মাঝে আমি খুঁজি নিজেকে,
এক বাস্তব প্রতিচ্ছবি, যা মিলিয়ে যায় প্রতি পলকে।



