
বৃটেনের ২৯ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা
এবার কয়েক ডজন বৃটিশ সাংবাদিক, মিডিয়া প্রতিনিধি এবং প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করলো রাশিয়া। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বৃটেনের বিরুদ্ধে নতুন এই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মস্কো জানিয়েছে, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এবং ‘রাশিয়া সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর’ জবাব হিসেবে ওই ২৯ সাংবাদিক এবং মিডিয়া প্রতিনিধিদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
খবরে জানানো হয়, নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে, বিবিসি টাইমস, ডেইলি টেলিগ্রাফ, ইন্ডিপেন্ডেন্ট এবং গার্ডিয়ানসহ বেশ কয়েকজন বৃটিশ হাই-প্রোফাইল সাংবাদিক। বিবৃতিতে মস্কো আরও জানায়, তারা ২০ বৃটিশ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাকেও রাশিয়ায় নিষিদ্ধ করেছে। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত বৃটিশ সাংবাদিকরা রাশিয়ার বিরুদ্ধে এবং ডনবাসের ঘটনা সম্পর্কে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা ও এক তরফা তথ্য প্রচার করে আসছে। তাদের একপাক্ষিক খবর প্রচার বৃটেনে রাশিয়াভীতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।
মস্কো আগেই রাশিয়ান কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিদেশী নিষেধাজ্ঞা এবং বিদেশে রাশিয়ান গণমাধ্যমের উপর নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়া ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। রাশিয়া এরইমধ্যে কয়েক ডজন মার্কিন ও কানাডিয়ান কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এ নিয়ে নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া রাশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ মার্ক গ্যালিওত্তি বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা দুঃখজনক হলেও আমাকে অবাক করেনি। এক টুইট বার্তায় গার্ডিয়ানের মস্কো সংবাদদাতা শন ওয়াকার বলেছেন, আমাকে অন্যান্য বৃটিশ সহকর্মীদের সঙ্গে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রাখা খুবই অদ্ভুত।
বৃটেনের মিডিয়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা মার্চ মাসে রাশিয়া টুডে বা আরটি টেলিভিশনের সম্প্রচারের লাইসেন্স বাতিল করে। তাদের দাবি, আরটি সম্প্রচার আইনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখছে না।
ধারনা করা হচ্ছে সেই পদক্ষেপেরই জবাব দিলো মস্কো। যুদ্ধ শুরুর পর নতুন একটি আইন প্রণয়ন করেছে রাশিয়া। এর ফলে এখন থেকে রুশ সামরিক বাহিনীকে নিয়ে কোনো ‘মিথ্যা’ খবর প্রচারিত হলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।



