
সারমিন চৌধুরী
আমাদের চোখমুখ যেন
বিক্ষিপ্ত হিম কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে
হলুদ রোদ গিলে খাচ্ছে গোলাপি ঠোঁট!
তেজী হাওয়ার দাপটে শরীর হচ্ছে নিরস।
প্রতীক্ষার প্রহর জমাট বাঁধছে বুকের মধ্যে,
পাখির পালকে ঝেঁকে বসছে সাতজন্মের শীত
বিষমাখা নীরবতায় ডুবে যাচ্ছে গোধূলি
পুষ্প শূন্য গাছের বুকে বিচ্ছেদের চুরি মেরে।
সেই টুকরো প্রেমটুকু জমে গেছে শীতলতায়
আর ক্ষতের মর্মরে জাগছে এক বুক তৃষ্ণা;
চিড়া না ভেজা কথার মলমে হয় না উপশম
তেমনি শিশির জলে নেই বৃষ্টির আনন্দ
তাই রবির ওম নিতে ছুটে যায় উৎসুক মন
কেউ আপন হয় না সর্বোচ্চ লুটিয়ে দিলেও
তবু দূর্বাঘাসের বুকে থাকে বৃষ্টির অপেক্ষা
যে ধুয়েমুছে দিতে পারে ভেতরকার অসুখ,
মনের ক্যাম্পাসে আঁকা ভুল মানুষের অবয়ব।
সকালসন্ধ্যা ঝরে পড়েও হিম কুয়াশা ব্যর্থ
পারেনি চোখের কালচে দাগ চিরতরে মুছতে
বরং, প্রণয়ের করতলে রেখে গেছে আর্দ্রতা।



