
ঢাকার কলাবাগানে ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কলাবাগানে ইংরেজি মাধ্যম মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেল (১০ম) শ্রেণির ছাত্রী আনুশকাহ নূর আমিনকে (১৭) বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীকে গুরুতর অবস্থায় আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতলে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতলে নিয়ে যায়।
আনুশকাহ নূর আমিনের মা বলেন, তার মেয়ের এ বছর ও লেভেল পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষার সাজেশনস্ দেওয়ার কথা বলে ফারদিন ইফতেখার দিহান ওকে ডেকে নিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, ওরাই আমাকে ফোন দিয়ে বলেছে, আন্টি ও (আনুশকাহ) অসুস্থ। তখন আমি বলেছি ভালো মেয়ে গেল, অসুস্থ কীভাবে হয়েছে। বলেছে আমাদের সাথেই ছিল তবে এখন সেন্সলেস হয়ে পড়েছে। পরে ওরাই আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতাল এ নিয়ে যায়। আমি হাসপাতালে পৌঁছার আগেই আবার ফোন দিয়ে বলে ও (আনুশকাহ) মারা গেছে। হাসপাতালে গিয়ে দেখি প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
থানা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, গতকাল সকাল ৯টার দিকে মেয়েটিকে গ্রুপ স্টাডির কথা বলে ফোন করে একটি বাসায় ডেকে নেয় চার বন্ধু। দুপুর ১টার দিকে মেয়েটির রক্তক্ষরণ শুরু হলে বন্ধুরাই তাকে প্রথম আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে চিকিৎসকরা মেয়েটির অবস্থা বেগতিক দেখে কৌশলে কলাবাগান থানায় ফোন করে জানায়। পরে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ওই চার বন্ধুকে আটক করে।
এ বিষয়ে কলাবাগান থানার এসআই জাকির হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, কলাবাগানে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই শিক্ষার্থীর প্রেমিকসহ ৪ সহপাঠীকে আটক করা হয়েছে।
কলাবাগান থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে।❐



