
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জাতীয় শোক দিবস পালন
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, যুক্তরাষ্ট্র কমান্ড ইন্ক সপরিবারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে।
সংগঠনটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গেল ৩০ আগস্ট নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে পালকী পার্টি হলে একই সঙ্গে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট সংঘটিত হত্যাকাণ্ড স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কমান্ডার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত আবদুল চৌধুরী। এসময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন নিউ ইয়র্কের ডেপুটি কনসাল জেনারেল জনাব নাজমুল হাসান, জাতিসংঘ মিশনের প্রেস সেক্রেটারি নুরে এলাহী মিনা, ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিসট্রিক্ট লিডার এট লার্জ এর্টনি মঈন চৌধুরী, বাংলাদেশ সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ ও কমিউনিটি বোর্ড মেম্বার মোহাম্মদ আলী, নিউ ইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মহিউদ্দীন আহম্মদ ও সংগঠনের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর আবদুল কাদির।
স্মরণ সভায় জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে আগত অতিথিদের নিয়ে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করা হয়। পরে উপস্থিত সকল মুক্তিযোদ্ধারা একে একে প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন।
এরপর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। এসময় সকলে দাঁড়িয়ে সম্মান প্রর্দশন করেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-তাঁর পরিবার ও জাতীয় চার নেতা, বঙ্গবীর জেনারেল ওসমানী, সকল সেক্টর কমান্ডার, মুজিব বাহিনীর চার সেক্টর কমান্ডার মুক্তিযুদ্ধের সকল বাহিনীর সদস্য প্রয়াতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন করে।
উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা যথাক্রমে আবুল কাশেম সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল আওয়াল, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মঈনুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমানত উল্লাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মিসবাহ উদ্দীন আহমদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস.এম রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মো. সাব্বির রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম (সিলেট), বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মঈন উদ্দীন আজহার, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহনা বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মনোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মফিদুল ইসলাম, নিজ নিজ মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা বলেন।
বক্তারা মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান এবং দ্রুত মুক্তিযোদ্ধাদের চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শনের জন্য জননেত্রী নিকট দাবি জানান।
সভাপতি নিজে বক্তব্য না দিয়ে ১১ জানুয়ারী ১৯৭৫ সালের ১১ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর দেয়া যুগান্তকারী ভাষণ বাজিয়ে শোনান ও এর আলোকে সকলকে বঙ্গবন্ধর আদর্শ বাস্তবায়নে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে জননেত্রী হাতকে শক্তিশালী করার নিমিত্তে কাজ করার আহবান জানান।



