
সত্যি বলছি,
তোমার অসীম আত্মায়
যদি নিউক্লিয়াস পরিমান অনুভূতি জন্মায়
আমি তোমার রক্তে মিশে যেতাম।
তোমার চর্মাবৃত পাঁজরে এতটুকু ঠাঁই মিললে
জীবনান্দের কলম হয়ে খসখস করে লিখে দিতাম
‘এইখানে অন্য কারো প্রবেশ নিষেধ’।
প্রতিমা হলে পূজারীর পূজার ফুল হতাম
‘সুখ’ শরণার্থী হলে
বিধ্বস্ত নগরীতে গড়তাম ‘শান্তিধাম’
বাবুই পাখির সুখ নীড় বুনতাম
তোমার মন মহীরুহে একটু জায়গা পেলে-ই।
বিশ্বাস করো,
তোমার বাঁ অলিন্দে একটু জায়গা পেলে
আমি রুদ্রের কলমে লিখে দিতাম ‘ভালোবাসি’।
তুমি থাকো আমার মাঝে
আমার ফুল হয়ে, ভুল হয়ে
আমার রোদ-ছায়া, আলো-অন্ধকার হয়ে
আমার ওম হয়ে, আমার ঘুম হয়ে
হয় যন্ত্রণা না হয় স্বস্তি হয়ে।
তুমি না হয় থাকো—
আমার আজন্মকালের আফসোস হয়ে!
সুখ না হয়ে তুমি আমার অসুখ হও
সত্যি বলছি,
‘প্রেম’ বিনে দ্বিতীয় কোনো প্রতিষেধক খুঁজব না আর।



