
রূপসী বাংলা প্রতিবেদন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কানেকটিকাট থেকে ডেমোক্রেটিক পার্টির থেকে স্টেট সিনেটর হিসেবে বিজয়ী বাংলাদেশি আমেরিকান মো. মাসুদুর রহমান বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি দেশ যেখানে লক্ষ্য স্থির এবং কঠোর পরিশ্রম করলে সবই অর্জন করা সম্ভব।
গত ২০ নভেম্বর দুপুরে জ্যামাইকার একটি রেস্টুরেন্টে নিউ আমেরিকান ডেমোক্রেটি ক্লাব আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সিনেটর মাসুদুর রহমান বলেন, বিভিন্ন সিটি, স্টেট এবং কাউন্টিতে নির্বাচিত বাংলাদেশি আমেরিকানদের মধ্যে জোট গঠনের মাধ্যমে প্রিয় মাতৃভূমির কল্যাণে কাজের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। একইসাথে কমিউনিটির সামগ্রিক উন্নয়নের প্রত্যাশা পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া যাবে।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন মূলধারার রাজনীতিবিদ মোর্শেদ আলম। পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আহনাফ আলম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটের সদস্য জন ল্যু, স্টেট অ্যাসেম্বলিম্যান ডেভিড ওয়েপ্রিন, সিটি কাউন্সিলম্যান ও প্রবীণ সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ।
স্টেট সিনেটর মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান বলেন, এ বিজয় যুক্তরাষ্ট্রে সকল প্রবাসী বাংলাদেশির বিজয় এবং এ বিজয় নিয়ে থেমে থাকলে চলবে না। আরো অনেক শেখ রহমান, আবুল খান, নাবিলাহ ইসলাম, শাহানা হানিফ সৃষ্টি করতে হবে। সকলকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে মার্কিন রাজনীতির সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রচনা করতে হবে এবং আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
মাসুদুর রহমান বলেন, আমি এই দেশে ২৮ বছর আগে এসেছি। এসে অনেক পরিশ্রম করেছি এবং সফল হয়েছি। বর্তমানে আমার বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেই সব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫ শতাধিক লোক কাজ করছে। সবার মনে রাখতে হবে কখনো আপনার রুট ভুলে যাবেন না। রুট ভুলে গেলে আপনি সব কিছু হারাবেন। এটা আমাদের শুরু। আগামীতে আমরা আরো ভালো করব।
উল্লেখ্য, গত ৮ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মাসুদুর রহমান ছাড়াও জর্জিয়ায় স্টেট সিনেটর হিসেবে নাবিলাহ ইসলামসহ আরেকজন বাংলাদেশি আমেরিকান বিজয়ী হন। জর্জিয়ায় বিজয়ী হয়েছেন সিনেটর শেখ রহমান এবং স্টেট রিপ্রেজেনটেটিভ আবুল খান (রিপাবলিকান)। নিউ ইয়র্কের পার্শ্ববর্তী কানেকটিকাট স্টেট থেকে এই প্রথম নির্বাচিত হয়েছেন মাসুদুর রহমান।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেবিবিএ-এর সাধারণ সম্পাদক এবং নিউ ইয়র্ক সিটি মেয়রের এশিয়া বিষয়ক উপদেষ্টা ফাহাদ সোলায়মান, ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার মাজেদা এ উদ্দিন ও মোজাফফর হোসেন, ডেমোক্রেটিক ল’ ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট শেখ আখতার-উল ইসলাম, ডেমোক্রেটিক পার্টির সংগঠক সৈয়দ রাব্বি, শহিদ ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি ফাহিম রেজা নূর, সৈয়দ মোস্তফা আল আমিন রাসেল, রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশনের সভাপতি ফখরুল ইসলাম মাসুম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি আমিন খান জাকির, জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির সভাপতি ও মূলধারার রাজনীতিবিদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, অধ্যাপক হুসনে আরা, এম ফজলুর রহমান, মাসুদুল হাসান, মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

















