
ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশী কবি কাজী জহিরুল ইসলাম
সম্প্রতি নিউইয়র্কের জুইশ সেন্টারে বাঙালি কবি কাজী জহিরুল ইসলামকে ‘পিস রান টর্চ বিয়ারিং অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা নিয়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
আধ্যাত্মিক গুরু শ্রী চিন্ময়ের নামে গঠিত শ্রী চিন্ময় ওয়াননেস সেন্টার বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় এই পুরস্কার প্রদান করা হয়ে থাকে। কবিতার মধ্য দিয়ে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য কবি কাজী জহিরুল ইসলামকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
ইতোপূর্বে অলিম্পিকে ৯টি সোনার মেডেল বিজয়ী কার্ল লুইস, আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু, ইউনেস্কোর ৩৫তম প্রেসিডেন্ট ড. ডেভিড হেম্পটন, বিলি জিন কিং, টিমোর লেসেতের প্রধানমন্ত্রী ড. মারি আল কিতিরি, বাংলাদেশি পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন, পতাকা কন্যা নাজমুন নাহারসহ বেশ ক’জন খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব এই আন্তর্জাতিক পুরষ্কার অর্জন করেন।
কবি কাজী জহিরুল ইসলামকে পিস মেডেল এবং কবির হাতে প্রজ্বলিত শান্তির মশাল তুলে দেন পিস রানের প্রধান আয়োজক অর্পন ডি এঞ্জেলো। সঙ্গে ছিলেন ওয়াননেস হার্ট সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মহাতপা পালিত, শ্রী চিন্ময় সেন্টারের নির্বাহী সদস্য চণ্ডিকা কাপালিকা এবং শ্রী চিন্ময় সেন্টার, ব্রাজিলের কো-অর্ডিনেটর মিস্টার পিটারসন। সাইটেশন পাঠ করেন ড. মহাতপা পালিত।
এদিন কবিকে আরো সম্মাননা জানায় গ্রেস ফাউন্ডেশন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, লেখক-পাঠক-শিল্পী সম্মিলনী, আত্মিক জাগরণ সভা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমিতি। সংগঠনগুলোর পক্ষে বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব দিমা নেফারতিতি, অধ্যাপক ইমাম চৌধুরী, লোকমান হাকিম, শিল্পী তানভীর তমাল এবং এইচ এম ইকবাল জহিরুল ইসলামের হাতে ক্রেস্ট, ফুল এবং উপহার তুলে দেন।
গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের মধ্যে শুভেচ্ছা জানান প্রবীন সাংবাদিক কাজী শামসুল হক, সাপ্তাহিক পরিচয় পত্রিকার সম্পাদক নাজমুল আহসান, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু, সাপ্তাহিক নবযুগ পত্রিকার সম্পাদক শাহাব উদ্দিন সাগর, সাপ্তাহিক দেশ পত্রিকার সম্পাদক মিজানুর রহমান, প্রথম আলোর সাংবাদিক রওশন হক, এইচ বি রিতা এবং ফরিদা ইয়াসমিন, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলভিশনের সালাহ উদ্দিন আহমেদ, ভয়েজ অব আমেরিকার সাবেক সাংবাদিক আকবর হায়দার কিরন।
অন্যান্যের মধ্যে শুভেচ্ছা জানান সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খালিদ মিঠু, মূলধারার রাজনীতিক মোরশেদ আলম, অ্যাক্টিভিস্ট কাজী ফৌজিয়া, আইনজীবী লাকী খালেক, প্রকৌশলী টগর চৌধুরী, পরিবেশ আন্দোলন কর্মী সৈয়দ ফজলুর রহমান, ইয়াছমিন আক্তার শেলী, সাহিত্যানুরাগী সোহেল আহমেদ, মাহমুদা মুন, সালেহা আহমেদ, অভিনয় শিল্পী শওকত রিপন, কবি শরিফুজ্জামান পল, লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি এবং বাংলাদেশ সোসাইটির নেতা আহসান হাবীব, ড্রিম ফাউন্ডেশনের সভাপতি আলী হোসেন, রোকসানা রুকু, ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডের প্রবক্তা আলমগীর খান আলম, লেখক ও সাংবাদিক নসরত শাহ, সাহিত্যানুরাগী মমতাজ খান, আবৃত্তি শিল্পী নাসিমা আক্তার, নজরুল একাডেমির সহসভাপতি সৈয়দ আলী টিপু, লাভলী টিপু, নজরুল একাডেমির সহসভাপতি আজিজুল হক মুন্না, নজরুল একাডেমির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, চমক ইসলাম, শংকর, আইনজীবী মোহাম্মদ আলী বাবুল, কবি স্বপ্ন কুমার, ফারজিন রাকিবা, মুল ধারার রাজনীতিক সৈয়দ রাব্বী, নুরুল খান, ছড়াকার ও বিজ্ঞানী ড. ধনঞ্জয় সাহা, শামস চৌধুরী রুশো, লেখক ও গ্রন্থাগারিক আব্দুল্লাহ জাহিদসহ আরো অনেকে। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কবিপত্নী মুক্তি জহির।



