
পরের বন্ড কি হবেন একেবারেই অচেনা কেউ?
জেমস বন্ড মানেই রহস্য, রোমাঞ্চ আর দুর্ধর্ষ এক গুপ্তচর। কিন্তু পর্দার সেই কিংবদন্তি ০০৭ চরিত্রে এবার কে আসছেন? ড্যানিয়েল ক্রেইগের বিদায়ের পর থেকেই প্রশ্নটি ঘুরছে সিনেপ্রেমীদের মনে। সম্ভাব্য বন্ড হিসাবে একের পর এক তারকার নাম সামনে এলেও সাবেক বন্ড তারকা পিয়ার্স ব্রসনানের মন্তব্যে নতুন মাত্রা পেয়েছে সেই জল্পনা। তার ইঙ্গিত-পরবর্তী বন্ড হতে পারেন এমন একজন, যাকে এখনো দর্শকদের কেউই চেনেন না!
ডেনিস ভিলনুভ পরিচালিত নতুন জেমস বন্ড সিনেমার জন্য অডিশন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। গ্রীষ্মজুড়েই চলেছে সম্ভাব্য অভিনেতা বাছাইয়ের প্রক্রিয়া। এ প্রসঙ্গে দ্য টাইমসকে পিয়ার্স ব্রসনান বলেন, এই চরিত্রের জন্য অনেক দুর্দান্ত অভিনেতা বিবেচনায় আছেন। তবে নির্মাতারা চাইলে প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে একেবারে অপরিচিত কোনো অভিনেতাকেও বেছে নিতে পারেন।
ব্রসনানের বলেন, ‘অনেক ভালো অভিনেতা প্রতিযোগিতায় আছেন। তবে তারা চাইলে এমন কাউকেও বেছে নিতে পারে, যাকে আমাদের কেউই চেনে না।’
তবে সম্ভাব্য বন্ডের নাম বলতে নারাজ এই সাবেক ০০৭। বরং মজার ছলে জানালেন, স্ত্রী তাকে কোনো নাম প্রকাশ করতে নিষেধ করেছেন। কারণ তিনি কিছু বললেই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে!
ব্রসনান নিজে কোনো নাম না বললেও তার ‘দ্য থার্সডে মার্ডার ক্লাব’ সিনেমার সহ-অভিনেতা টম এলিসকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এলিস জানিয়েছেন, ব্রসনান তাকে বলেছেন, তিনি ভালো জেমস বন্ড হতে পারেন।
মেট্রো ইউকে-কে এলিস বলেন, ‘তিনি আমাকে বলেছিলেন, তার মনে হয় আমি ভালো বন্ড হতে পারব।’ তবে নিজের বয়সের কথা উল্লেখ করে এলিস মজা করে বলেন, তার মনে হয় এখন হয়তো বয়স কিছুটা বেশি হয়ে গেছে।
১৯৯৫ সালে ‘গোল্ডেনআই’ দিয়ে বন্ড হিসাবে যাত্রা শুরু করেছিলেন পিয়ার্স ব্রসনান। এরপর ‘টুমরো নেভার ডাইজ’, ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ নট এনাফ’ ও ‘ডাই অ্যানাদার ডে’ সিনেমায় দেখা যায় তাকে। পরে ২০০৬ সালের ‘ক্যাসিনো রয়্যাল’ দিয়ে বন্ডের দায়িত্ব নেন ড্যানিয়েল ক্রেগ। ২০২১ সালের ‘নো টাইম টু ডাই’ দিয়ে শেষ হয় তার অধ্যায়।
কে হচ্ছেন নতুন ০০৭-তার উত্তর পেতে তাই এখন অপেক্ষা ছাড়া উপায় নেই। তবে পিয়ার্স ব্রসনানের কথায় একটি বিষয় স্পষ্ট-পরবর্তী বন্ডের মুখটি হয়তো এমনই হতে পারে, যাকে আজকের দর্শক এখনো চেনেন না। এদিকে নতুন সিনেমার কাস্টিং ডিরেক্টর হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছেন নিনা গোল্ড। ‘গেম অব থ্রোনস’, ‘দ্য ক্রাউন’ এবং ‘স্টার ওয়ার্স’ ফ্র্যাঞ্চাইজির একাধিক সিনেমায় কাজ করেছেন তিনি।



