
নিউজিল্যান্ডে ধূমপান আংশিক নিষিদ্ধ
নিউজিল্যান্ড ২০২৫ সালের মধ্যে ধূমপান মুক্ত দেশ হতে চাইছে। তারই অংশ হিসেবে আংশিক জনগোষ্ঠীর জন্য ধূমপান নিষিদ্ধ করে আইন পাস করেছে দেশটির পার্লামেন্ট।
এবিসি অস্ট্রেলিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১ জানুয়ারি ২০০৯ সালের পর জন্মানো প্রত্যেকের জন্য আজীবন সিগারেট কেনা নিষিদ্ধ। তারা যদি সিগারেট সেবন করে, ১ লাখ ৫০ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার জরিমানা হতে পারে। সেই হিসেবে একসময় দেশটিতে একসময় সিগারেটসেবী আর থাকবে না।
বর্তমানে দেশটিতে সিগারেট বিক্রেতা রয়েছে ৬ হাজার। ২০২৩ সালের মধ্যে দেশটি চাইছে তা ৬০০ তে নামিয়ে আনতে।
এমনিতেও দেশটিতে সিগারেটে আসক্তের সংখ্যা কমছে। বর্তমানে দেশটিতে ধূমপান করেন ৮ শতাংশ মানুষ। অথচ গত ১০ বছর আগে দ্বীপ দেশটির ১৬ শতাংশ মানুষ ধূমপান করত।
নিউজিল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আয়েশা ভেরাল পার্লামেন্টে বলেছেন, এমন কোনো পণ্য বিক্রির অনুমতি দেয়া উচিত নয়, যা তার ব্যবহারকারীর অর্ধেক মানুষের মৃত্যুর কারণ।
নিউজিল্যান্ডের পার্লামেন্টে ৭৬-৪৩ ভোটে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ধূমপান নিষিদ্ধকরণ আইন পাশ হয়েছে।
দেশটির পার্লামেন্টে বিরোধী পার্টি এসিটির উপপ্রধান ব্রুক ভ্যান ভেলডেনের মতে নতুন এই আইন সিগারটের ব্ল্যাক মার্কেট তৈরি করবে।
তবে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করা তিনিই প্রথম ব্যক্তি নন।
গত বছর এই আইনটি নিয়ে যখন প্রথম প্রস্তাব উঠে তখন এটিকে অন্তঃসারশূন্য পদক্ষেপ এবং যার মধ্যে বাস্তবতার কোনো ছোঁয়া নেই বলে উল্লেখ করেছিলেন নিউজিল্যান্ডের ডেইরি অ্যান্ড বিজনেস ওনার্স গ্রুপের সভাপতি ও স্থানীয় চেইনশপগুলোর মুখপাত্র সানি কৌশল।
তার মতে, এর ফলে যে শূন্যস্থান তৈরি হবে, তা পেশাদার অপরাধীরাই পূরণ করবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও সে সময় এ পদক্ষেপের ফলে তামাকের কালোবাজার তৈরি হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছিল। সীমান্তে চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে আরও জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে কাস্টমসকে, এমনটাই মনে করেন তারা।



