
বাংলাদেশ সোসাইটির বিজয় উৎসব।
রূপসী বাংলা প্রবাস ডেস্ক: বাংলার বিজয় ছড়িয়ে পড়ুক সারা বিশ্বে এই শ্লোগানে নিউইয়র্কে ৪৭ তম বিজয় দিবস পালন করলো বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক।
সোমবার কুইন্স প্যালেসে একুশে পদক প্রাপ্ত স্বাধীন বাংলার দুই কন্ঠ যোদ্ধা রবীন্দ্রনাথ রায় ও শহীদ হাসানসহ প্রবাসের মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এরপর নতুন প্রজন্মের বাংলা স্কুল শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা কবিতা আবৃত্তি ও দেশের গান ছিলো মনোমুগ্ধকর।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাষ্টি বোর্ড চেয়ারম্যান এম আজিজ। বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদের সভাপতিত্ব এ মুক্তিযোদ্ধ স্মৃতি চারন ও আলোচনা পর্ব পরিচালনা করেন সেক্রেটারি রুহুল আমিন সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্টেট সিনেটর জন ল্যু, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি নারগীস আহমেদ ও ফখরুল আলম, ট্রাষ্টিবোর্ড মেম্বার সিপিএ ওয়াসী চৌধুরী, কাজী আজহারুল হক মিলনসহ সোসাইটির নেতৃবৃন্দ।

সাংস্কৃতিক পর্ব সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও শিল্পকলা একাডেমী ইনক,র সভাপতি মনিকা। বিপ্লবী দেশের গান পরিবেশন করেন রবীন্দ্রনাথ রায় ও শহীদ হাসান। স্নিন্ধা ও ফাসিল কবির কাব্যসহ দেশ ওপ্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন। আবহ বাংলার গান ও নাচ পরিবেশন করেন সংগীত একাডেমি সুর ছন্দ।

সম্মাননা পেয়ে স্বাধীন বাঙলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী রথীন্দ্রনাথ রায় বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে স্বাধীন বাঙলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের বড় অবদান রয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় কোন সরকারই আমাদের সঠিক মূল্যায়ন করেনি।আমাদের কোন শিল্পীকেই বীরপ্রতিক খেতাব দেয়া হয়নি। অথচ আমরাই খেয়ে না খেয়ে স্বাধীন বাঙলা বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে দেশের মানুষকে উৎসাহ দিয়েছি। তিনি বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশেই মুক্তিযোদ্ধ হয়েছে।কিন্তু আলাদা কোন স্বাধীন বেতার কেন্দ্র হয়নি। এটা একটা ইতিহাস।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম আজিজ বলেন, প্রবাসে মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তথ্য আমাদের জানা নেই।তবূ আমরা চেষ্টা করছি দেশের বীর সন্তানদের সম্মানিত করতে।
মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ সোসাইটি বলে জানিয়েছেন সভাপতি কামাল আহমেদ।



