
জোছনা তুমি কার আকাশে এখন জ্বলো?
নদীর জলে তোমার হাসি
আবার কেন ভাসতে বলে?
আমি কি আর আগের মতো
বোকা বালক,
গভীর রাতে পেয়ালা হাতে নাচতে পারি
তোমার সাথে? রাত্রি হলে এখন আমার
ঘরে ফেরার ভীষণ তাড়া
তোমার মতো একটি নারী আমার পথে তাকিয়ে থাকে।
একটি মেয়ে নিবিড় রাতে
একলা কেন দাঁড়িয়ে আছে পথের ধারে?
কেউ কি তারে আজকে রাতে
প্রেমের দামে কিনতে পারে,
শুনতে পারে মেয়ের কথা মধ্যরাতের
নির্জনতায়?
এই পৃথিবী এমন কেন
দুঃখ দিয়ে হাসতে পারে জ্বালতে পারে আগুন মনে।
চঞ্চলা চাঁদ উস্কানি দেয়
যদিও আমি ভুলেই গেছি জোছনা রাতে
নারীর নেশা পেয়ালা হতে মাতাল মনে।
তবুও আমি আর যাবো না
ফাগুন দিনে ফুলের বনে অলির মতো,
জেনেই গেছি যখন আমি ফিরতে হবে
রাত পোহালে শূন্য হাতে।
জেনেই গেছি ডাকবে না কেউ
বোকা বালক চাইলে তুমি থাকতে পারো আমার বুকে।
জীবন যদি যন্ত্রণা দেয়
কাহার কাছে করবে নালিশ?
গোলাপ হাসে কাঁটার মাঝে ধরতে তারে
জানতে হবে।
ভালোবাসার ভেলকি বাজি কোন নিয়মে
শিকার করে—কোন নিয়মে
মারছে তালা দিন দুপুরে মনের ঘরে,
এক নিমেষে করছে চুরি মনের যত গয়না গাটি।
যেদিন গেছে আর পাবো না
মেলার মাঠে তোমার সাথে আর হবে না
চোরা চোখের মুগ্ধ মিলন;
আর পাবো না তোমার ছোঁয়া
ঘোড়া যেমন নদীর জলে মুখ ডুবিয়ে তৃষ্ণা মেটায়।
এখন আমি জুয়া খেলার নিয়ম জানি
এখন আমি লুকিয়ে ব্যথা হাসতে পারি
বলতে পারি দুঃখ ভুলে—
ভালোই আছি।



