
সারমিন চৌধুরী
যাদের চোখের ঘুম উবে গেছে
তাদের মনের দেয়ালে বিষের বাণের মতোই
অন্ধকার নেচে নেচে ওঠে কোনো পৈশাচিক উল্লাসে
জীবন আর মৃত্যু হিসেবের গিঁট খুলে বসে আয়ু
বেদনার প্রদীপ হয়ে মিটমিটিয়ে জ্বলছে ওই চাঁদ;
চোখের কার্ণিশে হাসছে জোছনা দুঃখের ঝড়ে
ছায়ামগ্ন মেঘ আষ্টেপৃষ্টে লেপ্টে আছে করুণারূপে।
পদে পদে জীবন্ত বিড়ম্বনা ওঁত পেতে থাকে শিকারে।
দুর্ভোগ স্বচক্ষে দেখে কিনারা খুঁজে নিলেও,
নিষ্পাপ প্রেম পাষাণের বুকে মুষড়ে থাকে আশায়
অতঃপর কেঁপে উঠা ঠোঁটে গুঁজে দেয় যন্ত্রণার তির
বৃথা আকাঙ্ক্ষার আস্ফালন নিয়ে ধুঁকে জীবন।
তবুও, একতারার ন্যায় বাজে প্রেম বাউল মনে
রাতবিরাতে গুনগুনিয়ে ওঠে মরমিয়া সুর
বুক হাতড়ালে দেখা মেলে শুধু মুঠো মুঠো ছাই
শশ্মানের মতো জ্বলছে অবিরত নির্বিকারে।
যে আশা দিয়ে কামনার দানা ছিটিয়ে গেল
কত পরিকল্পিতভাবে সে প্রণয়ের করতলে
লুকিয়ে রেখেছিল পিশাচের শীৎকার।



