
সারমিন চৌধুরী
দু’হাতের রেখায় অদৃশ্য চিহ্ন
যেখানে ভাগ্যের লিখন রয়েছে অস্পষ্ট
তবু দূরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে খুঁজে দেখি
দেখলাম প্রতিটি রেখা দুঃখের অনুগামী।
সুখ কপালে লুকায়িত যা দুঃখ গিলে খাচ্ছে
হাতের তালুতে চুলকাই জঘন্য রোগে,
লাল হতে হতে একসময় কালোদাগ হয়
অবশেষে মরণ রোগ ঝেঁকে বসে।
কপালকে পাথর দিয়ে ঘষতে থাকি
সুখের রহস্যময় পৃথিবীর খুঁজ পাবো বলে
অথচ, দিনদিন বড়সড় গর্ত হচ্ছে কপালে
দু’চারটা মশা-মাছি এসে বসছে বারবার
আমি হাতের রেখা দেখালাম তাদেরকে-
বললো, ক্ষণিকের মুসাফির শুধুমাত্র আমি
কয়েকটা দিন বাকি বুনিয়াদি জীবনের
কপালে মৃত্যু লিখা ছিল এটাই ইতি
আর হাতের রেখায় ছিল আয়ুর পরিধি।



