নির্বাচিত কলাম

বাংলাদেশের সমাজের বড় শত্রু

আহমদ রফিক
 
দুর্নীতির ব্যাপকতা এতটাই যে, বেশ কিছুদিন থেকে মাঝেমধ্যে লেখালেখি চলছে সমাজের দুর্নীতি নিয়ে। বলা হচ্ছে, দুর্নীতি উন্নয়নকে গ্রাস করবে। সে আশঙ্কা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের নানামাত্রিক বিশ্নেষণ। অথচ ক্রমবর্ধমান দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের কোনও উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। তাই দুর্নীতি দুর্বার, অজেয় হয়ে উঠছে।
 
আজ থেকে কয়েক দশক আগে অবাঞ্ছিত বিদেশি শাসনামলে পুলিশের ঘুষ খাওয়ার বিপরীতে একটি বহু প্রচলিত কথা ছিল- শিক্ষা বিভাগ ও ডাক বিভাগে দুর্নীতি নেই; অংশত স্বাস্থ্য বিভাগে। কৈশোরে মহকুমা শহর বাজারে দেখেছি স্যানিটারি ইন্সপেক্টরকে ল্যাকটোমিটার নিয়ে দুধের বিশুদ্ধতা পরীক্ষা করতে। সামান্যমাত্র পানির ভেজাল পাওয়া গেলে ঘড়া বা কলসিভর্তি দুধ নর্দমায় ফেলে দেওয়া হতো। সবাই চোখ বড় বড় করে দেখত- নর্দমা দিয়ে দুধের নহর বয়ে যাচ্ছে।
 
এ উদাহরণ অতীতের মহিমাকীর্তন নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক চেতনা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সমাজকে কতটা শুদ্ধ করেছে, তার একটা তুলনামূলক বিচার উপস্থাপনমাত্র। গত কয়েক বছরে শিক্ষাক্ষেত্রের দুর্নীতি নিয়ে কী তুলকালামই না ঘটে গেল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিসহ। কোচিং ব্যবসা, প্রশ্নপত্র ফাঁস, আরও কত কী? এমনকি বাদ যায় নি ভর্তি পরীক্ষা। অর্থাৎ শিক্ষাব্যবস্থার সর্বাঙ্গে দুর্নীতির ক্ষত। সম্প্রতি প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ হলেও কোচিং ব্যবসা সম্ভবত পূর্ববৎ।
 
বেশ কিছুদিন আগে হঠাৎ করে বাঙালির প্রধান খাদ্য উপাদান চাল নিয়ে কী তেলেসমাতি কাণ্ডই না ঘটে গেল! ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কৃপায় অকারণে চালের দাম বেড়ে গেল কেজিপ্রতি আট টাকা। ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী বললেন- ‘চাল নিয়ে চালবাজি চলছে।’ কুষ্টিয়ার গুদামে দেখা গেল বস্তার পর বস্তা চাল। অর্থাৎ চালের কোনও ঘাটতি নেই। দাম বাড়ানোটা উদ্দেশ্যমূলক, কৃত্রিম, মুনাফাবাজির দুর্নীতি বৈ কিছু নয়। অনেক বৈঠকের পর সরকারি চাপে ব্যবসায়ীকুল চালের দাম দুই টাকা কমাল। অর্থাৎ কেজিপ্রতি ‘৬ টাকা নাফা হ্যায়’।
 
এছাড়া বছরের পর বছর আমরা দেখে আসছি- রোজা, ঈদ ইত্যাদি উপলক্ষ্যে, কখনও বিনা উপলক্ষ্যে যুক্তিবিহীন খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি। ভাবতে পারা যায়, কাঁচামরিচের দাম ১০০ টাকা কেজি, কখনও ২০০ টাকা। একেক সময় একেকটি পণ্যের এমনই হঠাৎ বৃদ্ধিতে আকাশছোঁয়া দাম- পেঁয়াজ, রসুন, আদা মায় কাঁচামরিচ। ব্যবসা-বাণিজ্য মহলে ব্যাপক দুর্নীতি। আমদানিকারক এবং পাইকারি থেকে খুচরা বাজারে অসঙ্গত মূল্যবৃদ্ধি। মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্তসহ সবার মাথায় হাত।
 
দুই
এটা তো গেল খাদ্যপণ্যের বাজার নিয়ে সিন্ডিকেটের খেলা। কিন্তু বাংলাদেশে দুর্নীতি যে কবিতা পঙ্‌ক্তির মতো ‘বিশ্বময়’ ছড়ানো, তার নমুনা দেখা যায় সমাজের বিভিন্ন স্তরে কর্মকাণ্ডের অনুসন্ধানী ব্যবচ্ছেদে। আমদানি বন্দরে ওঠানামা থেকে গুদাম- যেমন দুর্নীতির এক আখড়া, তেমনি ব্যক্তিগত কর্মযজ্ঞেও নানা ফাঁকফোকরে- ব্যাংক থেকে চাকরিজীবী, পেশাজীবীর কর্মস্থল, এমনকি ব্যতিক্রম নয় চিকিৎসা ব্যবস্থায় (ক্লিনিক, হাসপাতাল ইত্যাদিতে) কত কায়দায় যে দুর্নীতির প্রসার ঘটছে, তা লিখে শেষ করার মতো নয়। এছাড়া রয়েছে পরিবহন খাত- একই অবস্থা। বছর দুই আগে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী রাস্তা নির্মাণের ক্ষেত্রে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছিলেন। তাতে কি কোনও সুফল মিলেছে?
 
আপনি যদি দৈনিক পত্রিকার একনিষ্ঠ পাঠক হয়ে থাকেন, তাহলে প্রধান দুই-তিনটি কাগজ পড়তে গেলে আপনার মাথা ধরে যাবে- একদিকে শিশু-তরুণী-গৃহবধূ ধর্ষণের খবর, অন্যদিকে বন্দর থেকে বাজার, স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ব্যক্তিগতস্থল সর্বত্র- কম আর বেশি দুর্নীতি নামক ভূতের আছর। এ ভূত এমনই শক্তিমান যে, শাসনযন্ত্র তাদের তুলনায় দুর্বল বলে মনে হয়। ঘটনা কি সত্যি তাই? দুর্নীতি কি সমাজটাকে, দেশটাকে খেয়ে নেবে? তাহলে উন্নয়নকে রাখব কোথায়?
 
তিন
সম্প্রতি নির্বাচনে একচেটিয়া জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বার দুই দুর্নীতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। দুর্নীতিবাজ, জঙ্গিবাদ, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা তিনি আবারও উচ্চারণ করেছেন (২১.১.২০১৯), যা প্রকাশিত হয়েছে দৈনিক সংবাদপত্রে। আমরা অপেক্ষা করব, দুর্নীতি দমনে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয় তা দেখার জন্য।
 
কিন্তু দুর্নীতি সম্বন্ধে ইতিপূর্বে যা বলা হয়েছে, তার কিছু নমুনা বা উদাহরণ তুলে না ধরলে প্রশ্ন উঠতে পারে যে, গোটা বিবরণটাই তাত্ত্বিক। কিন্তু বিষয়টি যে বাস্তবে তা নয়, বরং তার নানামাত্রিক চরিত্র যে কী ভয়ঙ্কর, ইতিমধ্যে কয়েকটি দৈনিকে প্রকাশিত খবরে তার প্রকাশ ঘটেছে। সংবাদগুলো পড়লে মনে হতে পারে যে, বাংলাদেশে কোনও দৃঢ়মূল, কঠিন ও নীতিসঙ্গত শাসনব্যবস্থা নেই। তাই অবাধে চলছে দুর্নীতির রমরমা ব্যবসা। সম্প্রতি বাংলাদেশে সংবাদপত্রগুলোতে ‘অতিধনী’ নামক একটি অতিস্ম্ফীতকায় শ্রেণির উদ্ভব নিয়ে কথকতা চলছে। ফলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সমাজের একাধিক শ্রেণিতে অর্থনৈতিক বৈষম্য একইভাবে বেড়ে চলছে। আর বিষয়টি নিয়ে সংবাদপত্রে উপসম্পাদকীয় নিবন্ধে, বক্তৃতা-বিবৃতিতে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের চলছে চুলচেরা বিশ্নেষণ। আপাতত এ বিষয় থেকে আমরা যদি পূর্বে উল্লিখিত দুর্নীতির উদাহরণগুলোর দিকে তাকাই, তাহলে বিস্ময়ে স্তব্ধ হয়ে ভাবব- এ কীভাবে সম্ভব!
 
শুরু করা যাক দেশের দক্ষিণ প্রান্ত, বন্দরনগরী চট্টগ্রাম থেকে। ১৭ জানুয়ারির একটি দৈনিকে সংবাদ শিরোনাম- ‘পণ্যভর্তি ১২ হাজার কনটেইনার গায়েব’। এ সম্পর্কে লেখা হয়েছে, ‘চট্টগ্রামসহ দেশের চার বন্দরে জব্দ করা প্রায় ১২ হাজার পণ্যভর্তি কনটেইনার গায়েব হয়ে গেছে। কম্পিউটারে সংরক্ষিত পণ্যের বিল অব এন্ট্রির গোপন পাসওয়ার্ড চুরি করে কনটেইনারগুলো গায়েব করা হয়।’
 
বিশদ বিবরণে না যেয়েও বোঝা যায়, দুর্নীতিবাজচক্র কী মাত্রায় চতুর ও দক্ষ এবং বলা বাহুল্য, এ ঘটনাটির দুর্নীতি দ্বিমাত্রিক। অর্থাৎ একদিকে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানি; অন্যদিকে জব্দ করা সেসব পণ্য মহাচাতুর্যে গায়েব করে দেওয়া। এতে কে বা কারা জড়িত, এতে অসাধু আমদানিকারকের কোনও সংশ্নিষ্টতা আছে কিনা, তা একমাত্র সৎ তদন্তেই উদ্ঘাটন করা সম্ভব। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, আমাদের সমাজের প্রায় প্রতিটি স্তরে শর্ষের মধ্যে ভূত।
 
একই দিনের অন্য একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ শিরোনাম : ‘অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার আইডিতে পণ্য খালাস/চট্টগ্রাম কাস্টমসে দুর্ধর্ষ জালিয়াতি’। বেপরোয়া সাহসে অবৈধ পণ্য খালাসের কারণ, আমদানি করা এ চালানটির বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ ছিল। এমন মনে করার কারণ নেই যে, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা। চট্টগ্রামসহ বন্দরগুলোতে অবৈধ ও বেআইনি কর্মকাণ্ড হরদম চলে কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে, কখনও তাদের যোগসাজশে। স্মরণযোগ্য কুখ্যাত অস্ত্র চালান ঘটনা।
 
দুর্নীতির ব্যাপকতা প্রমাণে আরও একটি সংবাদ শিরোনাম উদ্ধৃত করছি- ‘ব্যাংক খাতে জালিয়াতি দমনে কঠোর পদক্ষেপ’। ব্যাংক খাতেও যে আলোচ্য ভূতের উপদ্রব কম নয়, তার প্রমাণ মেলে বিভিন্ন সময়ে সংবাদপত্রে প্রকাশিত ঘটনাবলিতে। কিছুদিন আগেকার বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘটনাটি এ প্রসঙ্গে স্মরণ করার মতো।
 
এবার মূল প্রসঙ্গ বিশেষ প্রসঙ্গটিতে আসি, যা নিয়ে লেখার অনুরোধ। তার আগে একটু ছোট মাপের দুর্নীতির একটি ঘটনার কথা বলে নিই। এতে করে বোঝা যায়, বাংলাদেশি সমাজে দুর্নীতি সর্বস্তরে বিরাজমান। সর্বস্তর থেকে সর্বনিম্ন শ্রেণি পর্যন্ত দুর্নীতি দূষণের শিকার। বিত্তহীন মানুষ বা শ্রমজীবী শ্রেণি সম্পর্কে আমাদের যে মমত্ববোধ, সেখানেও দেখা যাচ্ছে দুর্নীতি। ‘অভাবে স্বভাব নষ্ট’ প্রবাদটিকে কি বৈধ বলে মানা যায়? না, যায় না। ওয়াসার একজন মিটার রিডারের ঢাকা শহরে দুটি বাড়ি- এটা কি সৎপথে অর্জন বলে গ্রহণ করা যাবে?
 
যে ঘটনাটি উল্লেখ করতে প্রাসঙ্গিক দীর্ঘ ভূমিকা তা হলো- ‘কেরানি আবজালের সম্পদের পাহাড়’। শিরোনামটি পাঠকমাত্রকেই অবাক করবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কেরানি আবজাল হোসেন, কতই-বা বেতন, যা দিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়, তার কিনা ‘সম্পদের পাহাড়’। কীভাবে সম্ভব? ২০ জানুয়ারি (২০১৯) একটি সংবাদপত্রে এ সম্পর্কে বিশদ বিবরণ প্রকাশ পেয়েছে। তাতে দেখা যায়, আবজাল হোসেনের স্ত্রী একই প্রতিষ্ঠানের স্টেনোগ্রাফার দুর্নীতিতে স্বামীকে ছাড়িয়ে গেছেন।
 
দু’জনে মিলে নামে-বেনামে, স্বদেশে-বিদেশে অবিশ্বাস্য-পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মালিক। হিসাবরক্ষণ বিভাগের কেরানির এই দুর্নীতির কাহিনী হয়ত ব্যাপক অনুসন্ধানে আরও বহুসংখ্যকের মধ্যে মিলবে। সর্বাঙ্গে যেখানে ক্ষত, সেখানে মলম লাগানোরও সুযোগ কম। সমাজে এ ধরনের দুর্নীতির প্রসার কি অল্প সময়ে হয়েছে? সমাজটি ধীরে-সুস্থে দূষিত হয়েছে, দূষণ-সংক্রমণ ক্রমে প্রসারিত হয়েছে এক টেবিল থেকে আরেক টেবিলে, এক বিভাগ থেকে আরেক বিভাগে। সময় মতো সূচনাস্থলে ব্যবস্থা নিলে দুর্নীতির এতটা প্রসার ঘটতে পারত না।
 
আবজাল প্রসঙ্গে আমাদের অনুমান যে সঠিক, তার প্রমাণ এ প্রসঙ্গে অন্য একটি দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদ-শিরোনাম :’স্বাস্থ্য খাতের মাফিয়া ডন মিঠু!/চক্রটি জাল বিস্তার করেছে’। সংবাদ প্রতিবেদনটি পড়ে আমরা অবাক হচ্ছি ভেবে, একজন দুর্বৃত্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতির বিরাট জাল বিস্তার করে বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পদের অধিকারী হয়েছে। তার নামে দু দুটি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ কি সেক্ষেত্রে চোখ বন্ধ করে ছিল, নাকি তাতে তাদেরও ছিল স্বার্থের সম্পর্ক? কেমন করে দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি চলেছে? কী জবাব দেবেন স্বাস্থ্য খাতের দুই প্রধান?
 
আমাদের দাবি, পুরো স্বাস্থ্য খাতের আগাপাছতলা নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অপরাধীদের শাস্তি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের সমস্ত শাখার পুনর্গঠন ও পুনর্বিন্যাস এবং দূষণ ও দুর্নীতিবিরোধী প্রতিষেধক ব্যবস্থা, যাতে ভবিষ্যতে এ জাতীয় ঘটনা আর ঘটতে না পারে। জঞ্জাল ভালোভাবে সাফ করা না হলে দুর্নীতির রক্তবীজ নতুন করে জন্ম নেবে, বিস্তার লাভ করবে স্থানে-অস্থানে।
 
এ প্রসঙ্গে শেষ কথা হলো, সমাজে ও কর্মস্থলে দুর্নীতির বিস্তার যে হারে দেখা দিয়েছে, তাতে শুধু স্বাস্থ্য খাতই নয়, শিক্ষাসহ প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের শাখা-প্রশাখায় অনুসন্ধান চালানো দরকার। কারণ সেসব ক্ষেত্রেও যে দুর্নীতির কর্মকাণ্ড উদ্ঘাটিত হতে পারে। জঞ্জাল সাফ করার দায়িত্ব পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে একটি শক্তিশালী ‘সেল’ গঠনের আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ মনে রাখতে হবে যে, দুর্নীতি বাংলাদেশি সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু এবং সরকারের জন্য তা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ সঠিকভাবে মোকাবেলা করতে না পারলে কোনদিন হয়ত সরকারপ্রধানকেই ক্ষোভে এমন কথা উচ্চারণ করতে হতে পারে- ‘ছিঃ, ছিঃ, এত্তা জঞ্জাল!’
 
লেখক: ভাষাসংগ্রামী, রবীন্দ্র গবেষক, প্রাবন্ধিক, কবি
Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension