
ভারতে করোনা সংক্রমণ দ্বিগুণ, চীনের মিনহাংয়ে লকডাউন
ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের হার বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার সকালে জানায়, আগের ২৪ ঘণ্টায় দৈনিক শনাক্তের হার ১.৬২ শতাংশ। আগের দিন তা ছিল মাত্র ০.৯১ শতাংশ। আর সাপ্তাহিক শনাক্তের হার ২.১৩ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার ভারতে নতুন করে সাত হাজার ২৪০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ সময় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে আটজনের মৃত্যু হয়েছে।
চলতি বছরের ২ মার্চের পর বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর আগে গত বুধবার পাঁচ হাজার ২৩৩ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল দেশটিতে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ভারতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে পাঁচ লাখ ২৪ হাজার ৭২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে চার কোটি ৩১ লাখ।
এদিকে করোনার গণপরীক্ষা করতে শনিবার ২৭ লাখ অধিবাসীর মিনহাং এলাকায় লকডাউন জারি করবে সাংহাই কর্তৃপক্ষ। দেশের প্রধান বাণিজ্যিক শহরের আড়াই কোটি বাসিন্দার বেশির ভাগকে নিজেদের বাড়িতে আবদ্ধ করে রাখার পর গত সপ্তাহে বিধি-নিষেধ কিছুটা শিথিল করেছিল সাংহাই। কিন্তু লকডাউন কখনোই পুরোপুরি ওঠানো হয়নি। এখনো শহরের লাখ লাখ মানুষ নিজেদের ঘরে বন্দি রয়েছে। বেশ কয়েকটি আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের ঘরে রাখতে নতুন করে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
মিনহাং কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানায়, শনিবার সকালে এলাকার সব বাসিন্দাকে পরীক্ষা করা হবে। নমুনা সংগ্রহের পর বিধি-নিষেধ তুলে নেওয়া হবে। তবে বিধি-নিষেধ তুলে নেওয়ার কোনো নির্দিষ্ট দিন-তারিখের কথা জানানো হয়নি। এ ছাড়া কোনো বাসিন্দার করোনা শনাক্ত হলে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, বলা হয়নি তা-ও।
সাংহাইয়ে বৃহস্পতিবার ৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে কেউই মিনহাংয়ের বাসিন্দা নয়।
এদিকে মিনহাং কর্তৃপক্ষের এমন ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে লকডাউন বাড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ফেসবুকের অনুরূপ চীনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ওয়েইবোতে এক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘নমুনা সংগ্রহের পর লকডাউন তোলা হবে কি না, তা স্পষ্ট করতে হবে। ’ আরেক ব্যবহারকারীর প্রশ্ন, ‘যদি পরীক্ষায় কারো করোনা শনাক্ত হয়, তাহলে কী করবেন? লকডাউন চলমান রাখবেন?’
এনডিটিভি, এএফপি



