
লংমার্চে ইমরান খান গুলিবিদ্ধ
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রধান ইমরান খান লংমার্চে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তার সঙ্গে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন দলটির শীর্ষ আরও দুই নেতা।
বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) পাঞ্জাবের ওয়াজিরাবাদে একটি গাড়ির মঞ্চে (কন্টেইনারে) ভাষণ দেওয়ার আগ মুহূর্তে ইমরান খানকে গুলি করা হয়। গুলি লাগে তার পায়ে।
লাহোর থেকে গত ২৮ অক্টোবর শুরু হয় তার লংমার্চটি। সাত দিনের মাথায় লাহোর থেকে ওয়াজিরাবাদে এ ঘটনা ঘটল। গুলির ঘটনা পরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন ইমরান খানের ঘনিষ্ট সহযোগী ফাওয়াদ চৌধুরী।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এক অস্ত্রধারী নিহত, আরেকজন আটক
পিটিআইয়ের এক শীর্ষ নেতা রউফ হাসানের বরাতে আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই অস্ত্রধারীর একজন ঘটলাস্থলে নিহত হয়েছেন। আরেকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে, গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
রউফ হাসানের দাবি, ইমরান খানকে হত্যার জন্যই গুলি করা হয়।
শঙ্কামুক্ত ইমরান খান
ইমরানের খানের পায়ে গুলি লাগায় অনেকেই তাকে নিয়ে শঙ্কিত। তবে কয়টা গুলি লেগেছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। শুরুতে বলা হচ্ছিল, খানের পায়ে তিন থেকে চারটা গুলি লেগেছে।
কিন্তু পরে তার পায়ে একটি গুলি লেগেছে বলে জানা যায়। তাকে পাঞ্জাবের ঘটনাস্থল থেকে লাহোরের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং তিনি শঙ্কামুক্ত বলে নিশ্চিত করেছেন পিটিআই নেতা আসাদ ওমর।
অন্যদিকে, খানের আরও তিন সহযোগীও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন পিটিআইয়ের শীর্ষ নেতা ফুয়াদ চৌধুরী। অন্য গুলিবিদ্ধরা হলেন, পিটিআইয়ের নেতা ও পাকিস্তানের পার্লমেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটের সদস্য ফায়সাল, ফায়সাল জাভেদ এবং আহমেদ চাট্ট।



