
তুহীন বিশ্বাস
বারবার নির্লজ্জ জোঁকে আঁকড়ে ধরে এক অদ্ভুত নেশায়
সম্মুখ চলার পথে বিছিয়ে থাকে বিষে বিষাক্ত সূচালো কাঁটা,
আর নিবুনিবু জমানো সুখটুকু কেঁড়ে নিতে চায় যখন-তখন
ভীতসন্ত্রস্ত তাকিয়ে দেখি প্রশান্তির কাঙ্ক্ষিত দরজা বন্ধ।
জোরা শালিকে বিশ্বাসী মানুষগুলো কুসংস্কারে মত্ত থাকে
তারা-ই আক্রান্ত হয় সুনসান শ্মশানের কালো পাঠার রক্তে,
তবুও লালন করে অন্ধকারে ডুবে থাকার বিষন্ন স্মৃতিগুলো ;
কিম্ভূতকিমাকার সময়টাও হতাশায় ক্ষত-বিক্ষত কিংকর্তব্যবিমুঢ়।
বিনিদ্র পাশের শহরের মেঘাচ্ছন্ন আকাশটা আজ রূঢ় রূপে
হঠাৎ ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে যেতে পারে ভাগ্যচক্রের সকল খেলা,
দিবারাত্রির তারতম্যের খেই হারিয়ে ফেলে এই হাদারাম
স্বস্তির নিঃশ্বাসের প্রহর গোনে ও-ই শহরের ক্ষুব্ধ বিধিবাম।



