
বাবু হক
জ্যোৎস্না দেখব বলে
ধরলা সেতুর উপর ঠায় বসে থাকি।
আহা! হুমায়ূন আহমেদের অবাক জ্যোৎস্না! জ্যোৎস্নায় ভিজব প্রাণ খুলে
জ্যোৎস্না জ্বরে আক্রান্ত হব
ডেঙ্গুর চেয়েও অধিক তাপে।
পঞ্জিকা দেখে কে যেন বলেছিল
পূর্নিমা রাতে যেও
আমিও ঠিকঠাক গিয়ে হাজির।
মেঘহীন আকাশ তবু অন্ধকারে ঠাসা
চাঁদ কোথায়! কোথায় চাঁদ!
চিৎকার করে জানতে ইচ্ছে করে।
চকচকে রূপোলী জলের টুকরোগুলোর
গায়ে কে পরালো আঁধারের পোশাক!
উজানে আঁধার ভাটিতে আঁধার!
স্রোতের কণ্ঠে পূর্ণিমার নিদারুণ
অন্ধত্বের গল্প!
কিছুই চোখে পড়েনা আমার!
আমি আমাকেও দেখতে পাই না
তবে কী অন্ধ হয়ে গেছি আমি! না,
তাতো নয়। নিজেকে বোঝার চেষ্টা করি।
কোন এক লালন কণ্ঠ
পাশ থেকে বলে ওঠে
চাঁদের অমাবস্যা দীর্ঘতর হয়েছে।
দাপুটে আঁধার দিবসকেও ছাড় দেবে না
বলে শুনেছি।
কাজেই আঁধারকে মেখে নাও প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে, নয়নে মননে!



