
সারমিন চৌধুরী
কেনো তুমি লেপটে আছো
হেমন্তের গোপন কান্নার ন্যায় চোখের ভাঁজে?
বিষণ্ণতায় উড়ে আসা অবহেলার ফণা যেন
নক্ষত্রের বুকে ফুঁসে ওঠা ভয়ঙ্কর পীড়ন;
অমানিশার সলতেয় পালিয়ে যায় জোছনার ঝাঁক
তৃষ্ণাদগ্ধ হৃদয়ে দিয়ে যায় ক্ষতের চিহ্নটুকু
অগাধ পিপসায় মরে যায় প্রাণ নির্মমভাবে।
অপেক্ষার বুনো গন্ধে যে চিঠি গোপন ছিল
চাপা কষ্টে আজ উগড়ে দিচ্ছে বেদনার জলতরঙ্গ।
তোমার চোখের চিমনিতে রেখেছো আলোর ফাঁদ
টুপটাপ ঝরে পড়ত শিশিরের ন্যায় লোভী জল
কুয়াশাকে নিংড়ে মায়ার স্থাপনা গড়েছিলাম
সেই বুক বিজন কোলাহলে মৃত্যুকে খুঁজছে;
নিঃশ্বাসের স্পন্দন যেন ঘণ্টা-শিকল-ঘুঙুর
বাজে মিথ্যে চেতনার ক্ষীণ আশ্বাসের প্রশ্রয়ে
যেন এ ডানা ভাঙা পাখির ব্যর্থ ওড়ার কৌশল।
মৃত্যুর আকষ্মিক নীরবতা ফেরি করে সময়কে
তোমার নামের লেখা মাইলফলক মুছে দিতে,
ঘনিয়ে আসে মৃত্যুর ন্যায় ঘন আবছা আলো!
যে রেখেছে বিষাদময় নীলাভ্র আঁধারের গহ্বরে।



