
প্রতিদিন চেয়ে থাকি একটি তেজোদীপ্ত
সোনালী রবির অপেক্ষায়,
সূর্যগ্রহণ গিলে খায় রবির তেজ,
চেয়ে থাকি তৃষ্ণার্ত হৃদয়ে এক মেঘ বৃষ্টির জন্য,
কিন্তু শ্রাবণের কান্নায় ব্যথাতুর হয়ে ওঠে মন,
কত রাত জেগে থাকি একটি পূর্ণিমা চাঁদের জন্য,
অথচ অমাবস্যা গ্রাস করে পূর্ণিমাকে।
কতবার আঁধারের অগোচরে হাসনাহেনার গন্ধ নিতে চেয়েছি,
তবে রাতের প্রান্তে ঝরে পড়ে শিউলি,
কতটা রাত অপেক্ষা করেছি রূপময়ী বসন্তের
হঠাৎ শীত আসে ঝরা পাতায়,
তবুও অজানা কারও জন্য অপেক্ষা করেছি,
কার জন্য মন কেঁদেছে,
কাকে মনে করে কাজল পরেছি
চুল বেঁধেছি লাল ফিতায়,
পায়ে পরেছি নুপুর, ললাটে পরেছি লাল টিপ
কার জন্য যেন নিক্কণের শব্দে নেচেছি,
অবশেষে বিজয় এলো, মাঠ সাজলো লাল-সবুজে
পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধে ভরে দিলো মন।
রবির কিরণ ছড়িয়ে দিল চারিদিকে,
আমার হৃদয়ে বাজলো বিজয় বীণার সুর,
চকচকে চোখের পাঁপড়ি নেচে উঠলো সবুজ যৌবনে
লাল-সবুজের আঁচলটা উড়িয়ে দিলাম নীলাম্বরে।



