
হোসেইন দিলওয়ার
ওম ছেড়ে দম নিই, তারপর একা সাপের ছানার মতো—
স্বরলিপি, অভিধান ভেঙে-ভেঙে পথ চলি নিয়মানুগত।
বিব্রত বোধের কাছে ভাড়া দিই মনোময় আশঙ্কা বা ভয়,
বুঝি না জাদুর কল, শানঘর কতটা বীভৎস, কাঁটাময়!
কর্তব্য করাতে শুধু অভিযোগ আর কৈমিতিক কামানল,
নবজাতকের মায়া মাখা ঘর— স্পষ্ট, একরোখা দাবানল!
আলতার মৌলিক আসক্তি ঘ্রাণ খেয়ে নেয় বাজিগর দিন,
হৃদয় ঘেরাও করে সপসপে, নির্দয়া নিশাদি অর্বাচীন।
ছোকরা যেমন লিখে ফরিয়াদ বা প্রার্থনা কাগজের নোটে—
জুটে না এমনতরো চামড়া বা ছাল, মাথা কুটি উলঙ্গ আঙ্গোটে!
অববোধে, অপরের প্রেম কাঁধে — স্বীয় সুখ করে সারিবন্দি,
ক্ষয় করি আপনার কেরোসিন! কে বলে পুরুষ নারী গন্ধী?
রেখে সব উপহার। সরে যাবো, জেনে রাখো প্রপীড়িত দেনা,
যাদের ছিল পা, তারাও গিয়েছে! এ-আমি তো আহত অ্যান্টেনা।
‘ভালো নয়, ভালো নেই’ বলি, তবু চান্নিপসর দেখি কী সাধে?
পালাতে পারে না বলে কিছু চোখ, কিছু পা থেমে থাকে বিষাদে।
চেয়ে দেখো, হা-মুখো যাপন বিষে থেমেছে যাদের হৃৎপেশী;
তারা নয়! তারা হয় এ-জীবনে, একাকী চাঁদের প্রতিবেশী।



