
বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের বিশেষ প্রোগ্রাম
রূপসী বাংলা, নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি: যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়ে ২০২২ সালের আগষ্ট পর্যন্ত আট মাসে ৭ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী স্টুডেন্ট ভিসায় এদেশে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি স্টেটের প্রত্যেকটিতে রয়েছে বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি। অতীতে এমন রেকর্ড সংখ্যক শিক্ষার্থী একসাথে আমেরিকায় প্রবেশ করেনি। বাংলাদেশের ঢাকা, চট্রগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও রাজশাহীতে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালযে ভর্তি হতে আগ্রহী ছাত্রছাত্রীদের সহায়তা দেবার জন্য। নিউ ইয়র্কেও কাজ করছে এমন ধরনের প্রতিষ্ঠান। ঢাকার মার্কিন দূতাবাস গত কয়েক মাস ধরে প্রতি শুক্রবার বিশেষ ব্যবস্থায় বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীদের ভিসা প্রদান করছে। এর জন্য তারা শুক্রবারকে বিশেষ দিবস ঘোষণা করেছে।
মার্কিন দূতাবাস বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের তথ্য দিয়ে আগ্রহী করে তুলতে ভার্চুয়াল ট্যুর প্রোগাম শুরু করেছে। ‘এডুকেশনইউএসএ বাংলাদেশ প্লাটফর্মের’ সাথে যৌথভাবে করছে এই প্রোগ্রাম।
গত ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে তার একটি কর্মসূচি। এর লক্ষ্য হচ্ছে সম্ভাব্য শিক্ষার্থীদের আমেরিকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করা। এতে আমেরিকার ৬০টি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলররা সরাসরি লাইভে এসে বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীদের ভর্তির ব্যাপারে প্রশ্নের জবাব দেন। এর জন্য তারা কোন ফি নিচ্ছেন না।
৩ সেপ্টেম্বরের এই ভার্চুয়াল ফেয়ারটি ছিল গ্রাজুয়েট স্টুডেন্টদের জন্য। আগামীকাল ১০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে আন্ডার গ্রাজুয়েট ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য ভার্চুয়াল ট্যুর। এতে শিক্ষার্থীরা ভর্তির ব্যাপারে দূতাবাসের কর্মকর্তা, এডুকেশনইউএসএ’র এডভাইজার ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালযের এডমিশন রিক্রুটারদের সাথে সরসাসরি চ্যাট করতে পারবেন। তারা এডমিশন রিকোয়ারমেন্ট, ফাইন্যানসিয়াল এসিসট্যান্স, স্ট্যান্ডার্ডআইজড টেস্টিং ও স্টুডেন্ট ভিসা এপ্লিকেশন নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পাবেন। এতে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও অংশ নিতে পারবেন।
এদিকে ভিসা প্রাপ্তির এই সুবিধার সুযোগ নিয়ে ঢাকা ও সিলেটে ব্যাঙের ছাতার মতো বহু কনসাল্টিং ফার্ম গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তারা অর্থের বিনিময়ে আমেরিকা, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যাপারে পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদানের কথা প্রচার করে থাকে। এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সংশ্লিষ্ট মহল থেকে জানান হয়েছে, ঢাকার মার্কিন দূতাবাস, কানাডা বা অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের সাথে এদের কোন সম্পর্ক নেই।



