
সারমিন চৌধুরী
অঘোর ঘুমে অচেতন নগরী
পায়ের আওয়াজ তুলে পোয়াতি নদী
রাতের আকাশে জ্বলে উজ্জ্বল যুগ্মতারা;
কানে বাজে ডানা ভাঙা পাখির গোঙ্গানি
নিরব অশ্রুতে নিষ্প্রভ রাত্রি হয় ভারাক্রান্ত
লক্ষ্মী পেঁচার একটানা ডাকে মুচড়ে উঠে বুক
জীবন্ত শরীর জুড়ে তখন মৃত্যু খেলা করে-
পাখিটার মত বেঁচে ফেরার অন্তিম আকুতি
নৈঃশব্দে মিলিয়ে যাচ্ছে নিগুঢ় অন্ধকারে
তোমরা কেউ কী তা আদৌও শুনতে পাও?
চোখ লেগে আসতেই দুঃস্বপ্ন কড়া নাড়ে
তিমির মত নিস্তেজ দেহে হামাগুড়ি খায়,
পাঁজরে বয়ে বেড়াতে হয় মৃত সম্পর্কের ভার।
তিলে তিলে গড়া এই বুনোফুলের সংসারে
নিস্তব্ধতা তীক্ষ্ণস্বরে রাতবিরেতে বুনে যাচ্ছে-
অদৃশ্য এক ব্যথাতুর ধোঁয়াশার জাল।



