
সারমিন চৌধুরী
মৃত্যুহীন চোখে নাচছে অব্যক্তধ্বনি
যেখানে পাহাড়ও সাগরের মধ্যখানে পিষছে মন
প্রশ্বাসরোহিত বুক জুড়ে নারকীয় তাণ্ডব চলছে
জেগে ওঠা চরে ফুটাতে চাইছে প্রেমের ফুল,
নীল দিগন্তের পাঁজরে ঢেলে দিয়ে নীলাভ্র বিষ।
সহস্র বছরের পুরানো আমার বুক খুঁড়লে,
সেখানে পাবে জমানো রাশি রাশি অনুতাপ
জলাঞ্জলি দেওয়া বিপুল সব প্রতিশ্রুতি
অধুনালুপ্ত সম্ভাষণে বিরানভূমির আক্ষেপ,
অধ্যুষিত মাটির পরতে বুকফাটা আর্তনাদ
এইভাবে টিকে ছিলাম ক্ষয়ে কিংবা নুয়ে
একদিন ঘূর্ণি এসে লণ্ডভণ্ড করে সর্বত্রই
বর্ণবিভায় পাল্টে যায় হঠাৎ জঙধরা নগরী।
অনুগত শক্তিতে ঘুচে যায় সবই দুরত্ব—
অবশেষে অশোক পাতার ওপরে শুয়ে শুয়ে
মৃত্যুদূত এসে বিদায়ের ঘন্টা বাজায়,
চলতে গিয়ে ঠোক্কর খেয়ে যায় যায় প্রাণপাখি
আহা! নদীর বুকে আকাশ,পাখির চোখে বসতি
প্রহরীর ট্রিগারে ফুল, শিশুর খিলখিল হাসির
ন্যায় আমাদের একসাথে বাঁচা মরা হলো না।



