
চার বছর
সেদিন দুপুর
কুমুদিনীর কেমনধারা চুক্তি!
ঘরকন্নার সকাল সন্ধ্যা
বিছ্না ঘরের স্নেহসুগন্ধা
সকল কাজের সব দায় থেকে
অযাচিত এক মুক্তি।
ভাবলো তখন
নোরার পথে হাঁটি
দরজা খুলে তাকিয়ে দেখে
আঁধার যেন গিলবে তাকে
তবুও কুমু বাইরে নেমে
চলল গুটিগুটি।
বিষম কালো
অন্ধকারে যায় না কিছুই দেখা
ডাইনে বাঁয়ে সামনে কালো
পেছন পানেও নেই তো আলো
সব দুর্যোগ বিপদ আপদ
সামলে চলো একা।
তবুও এগোয়
এগোতে হয় নেই কিছু করবার
পিচ্ছিল পথ শুধুই কাদা
খড়কুটো নেই শুধুই বাধা
থেমে গেলেই চোরাবালির
আবর্তে সংহার।
এক জীবনের
ভেতর যেন আরেকটা জীবন
ভিন্ন জীবন অন্য গল্প
ভিন্ন যাপন হরেক কল্প
একই মুদ্রার দুই পিঠ তবু
বিপুল ব্যবধান।
এক জীবনে
ভিন্ন যাপন কঠিন নিয়ম বাঁধা
তবুও কোথায় এক পিছুটান
এক পৃথিবী মায়ার বাঁধন
মিলেমিশে সব একাকার
জীবন গোলকধাঁধা।
নোরার জীবন
চলতে গেলে একলা হতে হয়
ঝড়ঝঞ্ঝা মাথায় পেতে
যেথায় খুশি সেথায় যেতে
নিঃশর্তের সকল শর্তে
বাঁধনছেঁড়া জয়।
কুমুর সঙ্গে
একইসঙ্গে, ফেরে দ্বৈত সত্তা
একই কায়ায় দুইটি ছায়া
সঙ্গে সজীব সরব মায়া
মুক্তিবিহীন কঠিন চুক্তি
আরোপিত এক সত্তা।



